খুলনা, বাংলাদেশ | ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  গোমস্তাপুরে ৭ লিটার চোলাইমদসহ নারী গ্রেফতার
  ঈদগাঁও ৩নং ওয়ার্ড যুব বিভাগের কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা সভা
  মা ও শিশু পুষ্টি নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা কেসিসি’র দায়িত্ব
  ডুমুরিয়ায় গ্রীন ফোর্সের উপজেলা কমিটি, আহ্বায়ক ফয়সাল ও সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর
  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা

ঈদগাঁও থেকে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যের প্রতীক তালপাতার “ঝুইর”

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় “ঝুইর” হলো একসময় গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে কৃষকের মাথায় বৃষ্টি সামলানোর সঙ্গী। কৃষিকাজে প্রয়োজনীয়  ব্যবহৃত এই জিনিসটি এখন প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে।কক্সবাজারে ঈদগাঁও উপজেলা থেকে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী তালপাতার “যুইর”।ছাতা,রেইনকোট নয়,একসময়ে গ্রামীন জনপদে বর্ষাকালের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী ছিল তালপাতার এ যুইর। চাষিরা ধানক্ষেতে কাজ করাকালীন সময় মাথার উপর ছাতার পরিবর্তে বৃষ্টি সামলানোর জন্য ব্যবহার করতো এটি। গরমে হাতপাখা যেমন অপরিহার্য ছিল, তেমনি বর্ষায় এটির কদরও বৃদ্ধি ছিল। এটি মূলত তৈরি হতো তালপাতা দিয়ে। গ্রামীণ মেলাতেও বিক্রি হতো দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনে বানানো যুইর। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এটির পরিবর্তে ছাতা এবং রেনকোটের ছড়াছড়ি। কদরহীন তৎকালীন বর্ষা মৌসুমের একমাত্র কৃষকের প্রতীক যুইর। তাল পাতা দিয়ে তৈরী যুইর হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ শিল্প। একসময়ের গ্রামীণ জীবনযাত্রা অপরিহার্য অঙ্গ যুইর আজ স্মৃতির পাতায় বন্দি। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের প্রতীকও বটে।সময় বদলে গেছে। এখন ছাতা,রেনকোট আর প্লাস্টিক শিল্পের সহজলভ্যতায় যুইরের কদর অনেকটাই কমে গেছে। ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে পলিথিন-ত্রিপলের চেয়ে তালপাতার যুইর ছিল পূর্বেকার দিনের টেকসই জিনিস। যার কারনে প্রায় প্রতিজন কৃষকের মাথায় এটি দেখা মিলত।প্রাপ্ত তথ্য জানা যায়, ঈদগাঁও বাজারের জাগির পাড়া সড়কের মাথা,বাঁশঘাটা সড়কের দুয়েকটা পয়েন্টে গ্রামীন ঐতিহ্যে (যুইর) বিক্রি করতো তৎকালীন কিছু সংখ্যক মুরব্বি। এখন সেটিরও আর দেখা যায়না। প্রবীণ মুরব্বী আলম জানান, যুইর দিয়ে বর্ষায় কৃষকরা ভালভাবে কাজ করতে পারতো। মাথায় দিয়ে বৃষ্টির পানি সামলানো যেতো। বেশ মজবুত ছিলো এগুলো। এখন সেটি আর পাওয়া যাবেনা হয়তো। নুরুল ইসলাম জানান, একসময়ে গ্রামের প্রতিটি বাড়ীঘরে কৃষি কাজের সঙ্গী হিসেবে দেখা যেতো যুইর। বতমান যুগের তরুন প্রজন্মরা (যুইর) এর কাজ কি সেটিও জানেন না।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT