খুলনা, বাংলাদেশ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
  সেনাবাহিনীকে অনির্দিষ্টকাল মাঠে রাখতে চায় না সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  সাংবাদিক হওয়ার নীতিমালা চান ডিসিরা : ডা. জাহেদ উর রহমান
  কয়রায় বনদস্যু গুমের মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন:
  খুলনার ৪৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরি নিশ্চিত.
  নতুন ইতিহাস গড়তে চান সিমন্স
  খুলনা আদালতপাড়ার সেই জোড়া হত্যা: থেমে আছে তদন্ত, বাড়ছে প্রশ্ন
  চট্টগ্রামে এনসিপির রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ
  রাজপথের ত্যাগী নেতা বিকাশ মিত্র. চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান টিএসবি ইউনিয়নে.
  বীরগঞ্জে মধ্যরাতে কৃষক দলের সভাপতির দোকান পুড়ে ছাই

রাজপথের ত্যাগী নেতা বিকাশ মিত্র. চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান টিএসবি ইউনিয়নে.

[ccfic]

 

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম -স্টাফ রিপোর্টার//রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়নের তিলক গ্রামে জন্ম নেওয়া বিকাশ মিত্র ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছোটবেলা থেকেই তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।১৯৯২ সালে এসএসসি পাসের পর তিনি সরকারি সুন্দরবন কলেজে ভর্তি হন। কলেজে পা রাখার পরপরই ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হন বিকাশ মিত্র। ধীরে ধীরে সংগঠনে তার দায়িত্ব বাড়তে থাকে। তিনি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে তিনি ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ক্রীড়া সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।ছাত্ররাজনীতি শেষে তিনি মূল দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হন। বিকাশ মিত্র টিএসবি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে ইউনিয়ন বিএনপির পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক হন। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তাকে রূপসা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।জেলা পর্যায়েও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। জেলা বিএনপির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন বিকাশ মিত্র। এরপর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন।রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয়। তিনি তিলক কুড়ির বটতলা কালী মন্দির কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে বিকাশ মিত্রকে বহুবার জেল খাটতে হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে বিএনপির ডাকা হরতালে পিকেটিং করার সময় প্রথম মামলায় গ্রেফতার হন তিনি। এরপর বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক মামলায় তাকে আসামি করা হয়।গত ১৭ বছর দলীয় নেতা-কর্মীদের মুক্তির জন্য তাকে নিয়মিত আদালতের বারান্দায় দেখা গেছে। গ্রেফতার হওয়া নেতা-কর্মীদের আইনি সহায়তা দিতে তিনি নিরলস কাজ করেছেন।২০১১ সালে দলীয় সিদ্ধান্তে টিএসবি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিকাশ মিত্র। ওই নির্বাচনে তিনি অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। পরে ২০১৬ সালেও একই পদে নির্বাচন করে সম্মানজনক ভোট পান, কিন্তু জয় পাননি। এরপর দলীয় সিদ্ধান্ত না থাকায় আর নির্বাচন করেননি।দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে। দলীয় নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, শিগগিরই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে। এই পরিস্থিতিতে টিএসবি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবারও চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিকাশ মিত্র।এ বিষয়ে বিকাশ মিত্র বলেন, আমি পূর্বে দুইবার দলীয় সিদ্ধান্তে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমার জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন কারণে অল্প ভোটে পরাজিত হয়েছি। বর্তমানে জাতীয়তাবাদী শক্তি ক্ষমতায় রয়েছে, ফলে আমি আশা করি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। দলীয় সিদ্ধান্তে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে আমি বিশ্বাস করি, জনগণের রায়ে আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারব।স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মতে, তৃণমূল থেকে উঠে আসা বিকাশ মিত্র দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। রাজপথের আন্দোলন থেকে শুরু করে সাংগঠনিক কাজে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। দল মনোনয়ন দিলে টিএসবি ইউনিয়নে তিনি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন বলে মনে করেন তারা।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT