খুলনা, বাংলাদেশ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
  লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
  সেনাবাহিনীকে অনির্দিষ্টকাল মাঠে রাখতে চায় না সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  সাংবাদিক হওয়ার নীতিমালা চান ডিসিরা : ডা. জাহেদ উর রহমান
  কয়রায় বনদস্যু গুমের মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন:
  খুলনার ৪৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরি নিশ্চিত.
  নতুন ইতিহাস গড়তে চান সিমন্স
  খুলনা আদালতপাড়ার সেই জোড়া হত্যা: থেমে আছে তদন্ত, বাড়ছে প্রশ্ন
  চট্টগ্রামে এনসিপির রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ
  রাজপথের ত্যাগী নেতা বিকাশ মিত্র. চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান টিএসবি ইউনিয়নে.

নতুন ইতিহাস গড়তে চান সিমন্স

[ccfic]

ডেস্ক :

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ মানেই স্বাভাবিকভাবে স্মৃতিতে ভেসে ওঠে রাওয়ালপিন্ডির। বছর দুয়েক আগেই সেখানে ইতিহাস গড়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। তবে এবার ভেন্যু বদলেছে—পিন্ডি নয়, লড়াই হবে নিজেদের ঘরের মাঠ মিরপুরে। বাংলাদেশ কেমন করতে চায়, সে প্রশ্ন তো এসেই যায়। তবে প্রধান কোচ ফিল সিমন্স অতীত সাফল্যে খুব একটা গুরুত্ব দিতে চান না। তার দৃষ্টি এখন সামনে—নতুন করে ইতিহাস গড়ার দিকেই মনোযোগী বাংলাদেশের এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ।টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রের অংশ হিসেবে আগামীকাল থেকে মিরপুরে শুরু হবে দুই দলের মধ্যকার প্রথম ম্যাচ। পরিসংখ্যান বলছে, শেষ ১৫ দেখায় বাংলাদেশের জয় মাত্র দুটি—আর সেটিও এসেছে সর্বশেষ রাওয়ালপিন্ডিতে। আপাতত সেই স্মৃতিকে দূরে রাখতে চান সিমন্স। কেননা, সে সময় দলের দায়িত্বে ছিলেন না তিনি। এবার দায়িত্বে থেকে সিমন্স অতীত নয়, সামনে তাকানোর কথাই বলছেন। তার ভাষায়, ‘ওটা ইতিহাস(রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজ জয়)। সেই ইতিহাস পেছনে পড়ে গেছে। আমরা নতুন ইতিহাস তৈরি করতে চাই। আমরা শুক্রবারের ম্যাচের দিকেই তাকিয়ে আছি—দেখা যাক কী হয়। আগে কী হয়েছে, তাতে এখন আর কিছু যায়-আসে না।’ তবে পিন্ডির সেই স্মৃতি যে বাংলাদেশ দলকে অনুপ্রাণিত করবে সে কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, মাথায় তো তা থাকবেই। এটা ভেতরে ভেতরে আপনাকে প্রেরণা দেবে যে, শেষ ম্যাচটা জিতেছেন। কিন্তু এখন এটা নতুন ম্যাচ, নতুন জায়গা। আমরা এখন বাংলাদেশে আছি, পাকিস্তানে নয়। ওসব পেছন ফেলে আমাদের এই ম্যাচের দিকেই মনোযোগ দিতে হবে।’নতুন ইতিহাস গড়তে প্রতিপক্ষকে আটকে দেওয়ার পরিকল্পনা যে ভালোভাবেই কষেছে বাংলাদেশ, তা বোঝাই যাচ্ছে। একসময় ঘরের মাঠে স্পিননির্ভর দল হিসেবে খোঁচা শোনা গেলেও ধীরে ধীরে সেই ধারা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেও কোচ সিমন্স চেয়েছেন একটি স্পোর্টিং উইকেট। গতকাল রাত পর্যন্ত মিরপুরের উইকেটে বেশ সবুজ ঘাস দেখা গেছে। ম্যাচের দিন সকালে তা কতটা রাখা হবে, তা নিশ্চিত নয়, তবে ধারণা করা যাচ্ছে, উইকেট খুব একটা স্পিনসহায়ক হবে না। ঘরের মাঠের বাড়তি সুবিধা নেওয়ার পক্ষেও নন সিমন্স। তিনি বলেন, ‘হোম কন্ডিশন বলতে ঠিক কী বোঝানোয়েছে, তা পরিষ্কার নয়। আমরা এখানে একটি ভালো ক্রিকেট পিচেই খেলতে চাই। আমাদের মূল চিন্তা হওয়া উচিত—তাদের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে কীভাবে ব্যাট করব। একজন ব্যাটার হিসেবে আপনি সবসময় নিজেকে উন্নত করতে চাইবেন, আর সেজন্যই এ ধরনের শীর্ষ মানের বোলারদের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহী থাকবেন। আমরা ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে জানি, তাদের মোকাবিলা করতে হলে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাট করতে হবে এবং বড় রান করতে হবে। সবার মানসিকতাই এমন—দলের জন্য বড় সংগ্রহ গড়ে তোলা।’সিরিজ ঘিরে বড় স্বপ্ন দেখছেন ফিল সিমন্স, তবে তিনি জানেন—শেষ পর্যন্ত কাজটা করে দেখাতে হবে মাঠেই, আর সেটি করতে হবে তার শিষ্যদেরই। তাই প্রত্যাশা নিয়ে বাস্তবধর্মী দৃষ্টিভঙ্গির কথাই শোনালেন তিনি। সিমন্স বলেন, ‘প্রত্যাশার ৯৫ শতাংশেরও বেশি থাকে ড্রেসিংরুমের বাইরে। আমরা ড্রেসিংরুমে শুধু প্রস্তুতি নিই, আর মাঠে গিয়ে নিজেদের খেলাটা খেলি। আগের সিরিজ থেকে কী ধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেগুলো আসলে আমাদের জন্য খুব একটা কাজে আসে না।’

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT