খুলনা, বাংলাদেশ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  মুসলিম হওয়ায় থানায় নিয়ে নির্যাতন, দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ
  মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবার মৃত্যুদণ্ড
  আদানি-আইপিপির কাছে জিম্মি দেশের বিদ্যুৎ খাত
  ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে লিগ্যাল নোটিস
  টিকাকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রত, তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  শরতের শুভ্রতায় সেজেছে পদ্মাপাড়, কাশফুল দেখতে মানুষের ঢল
  নাপা ছাড়া মিলছে না ডেঙ্গুর চিকিৎসা
  নাপা ছাড়া মিলছে না ডেঙ্গুর চিকিৎসা
  কয়রায় উপজেলা সিএসও নেটওয়ার্কের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা
  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবার মৃত্যুদণ্ড

[ccfic]

নিজেস্ব প্রতিনিধি :রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবা জামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভিকটিমকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করে।এর আগে কারাগার থেকে আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। রায় ঘোষণা শেষে সাজার পরোয়ানা দিয়ে আবার তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল মজিদ জানান, সাক্ষীদের জবানবন্দি,. আব্দুল মজিদ জানান, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জেরা, মেডিকেল ও ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশ্লেষণ করে অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন বিচারক।রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘অনেকের ধারণা থাকে যে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় বা বিচার হয় না। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা, সঠিক তদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণ করে বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো বাংলাদেশে বিচার পাওয়া যায়।’আইন অনুযায়ী, এই রায়ের বিরুদ্ধে আগামী সাত দিনের মধ্যে আসামিপক্ষের উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিকে দেওয়া ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিকটিম পাবে। আসামি জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে মাননীয় জেলা প্রশাসককে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তা আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৪ ডিসেম্বর আসামি জামাল তার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ঘরে একা পেয়ে তার সৎ মেয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরী ভিকটিম গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং তার শরীরে নানাবিধ শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি তার মা জানতে পারেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে। বিচার চলাকালে আদালত মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার তদন্তকালে ভিকটিমের ২২ ধারার জবানবন্দি, চিকিৎসকের মেডিকেল রিপোর্ট ও ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় ভিকটিমের গর্ভের সন্তানের জৈবিক পিতা আসামি জামাল বলে সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT