
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
মহাসড়ক পরবর্তী জনগুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক ঈদগাঁও-চৌফলদডী সড়কে হঠাৎ করে টমটম ও অন্যান্য ব্যাটারিচালিত যানবাহনের ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়। কোন ধরনের সরকারি ঘোষণা কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই চালকদের ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বল্প দূরত্বের সড়কেও আগের তুলনায় অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। ভাড়া নিয়ে প্রতিবাদ করলেই যাত্রীদের সঙ্গে চালকদের বাকবিতণ্ডা, এমনকি অসৌজন্য মূলক আচরণের ঘটনাও ঘটায়। এই আকস্মিক ভাড়া বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করতে হওয়ায় তাদের মাসিক যাতায়াত ব্যয় উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে গেছে।যাত্রীদের অভিযোগ, সড়কজুড়ে ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর তদারকির অভাবে কিছু পরিবহনচালক পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসন, বিআরটিএ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা কার্যকর পূর্বক পয়েন্টে পয়েন্টে টাঙানোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।এক টমটম চালক জানান, সম্প্রতি বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যয় বেড়েছে। সম্মিলিত সিদ্ধান্তে ঈদগাঁও থেকে চৌফলদন্ডী ৩০, ঈদগাঁও থেকে নতুন মহাল ১৫, ঈদগাঁও থেকে পালাকাটা ১০ টাকা টমটমের ভাড়া নির্ধারন করা হয়। জন প্রতি ১০ টাকা হিসেবে ভাড়া বাড়ানো হয়। জালালাবাদ ছাতিপাড়ার বাসিন্দা আবু নোমান মো. মাসুদ রানা বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোন আলোচনা বা অনুমোদন ছাড়াই টমটম চালক সমিতির ব্যানারে বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির অজু হাতে জনপ্রতি ১০টাকা ভাড়া বৃদ্ধি অযৌক্তিক।আরো একজন সাধারণ মানুষ ক্ষোভের ভাষায় বলেন, যেনতেন বা মনগড়া ভাড়া বৃদ্ধি আসলেই মেনে নেওয়ার মত নয়। সুযোগ বুঝেই যাত্রীদের উপর অন্যায় ও অমানবিক আচরন ছাড়া এটি আর কিছু হতে পারেনা। সচেতন মহল জানান, ভাড়া বৃদ্ধির কারনে শত শত সাধারণ যাত্রী প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান।সাধারণ যাত্রীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অভিযানের মাধ্যমে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করাসহ নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা বাস্তবায়ন করে সড়কে যাত্রীদের ভোগান্তি,হয়রানি দূর করা অতীব জরুরী।
