খুলনা, বাংলাদেশ | ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

জামায়াত এমপির ভিডিওটি মগবাজার অফিসের , পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

[ccfic]

ডেস্ক :

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ভাইরাল ভিডিওটি মগবাজারে একটি অফিসের বলে তিনি নিজেই জানিয়েছেন। লিখিত বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন, মরিয়ম বেগম নামের ১৮ বছরের ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।লিখিত বিবৃতিতে নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখের এবং এর পেছনে তার নিজ গাড়িচালকের পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইলিং ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন তিনি।লিখিত বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। অবস্থানকালীন সময়ে চালক ওবায়দুল্লাহ সুকৌশলে ৬-৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে ওই কার্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়।বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই অপরিচিত ব্যক্তিরা কক্ষে ঢুকে এমপি ও তার পরিবারের সদস্যদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা শুরু করে। একপর্যায়ে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু টাকা প্রদান করার পর তারা সেখান থেকে মুক্তি পান।ব্ল্যাকমেইল ও সিসিটিভি ফুটেজের অপব্যবহারের অভিযোগ: ঘটনার পর গাজী নজরুল ইসলাম জানতে পারেন যে, এই পুরো পরিস্থিতির মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ। যিনি সম্পর্কে দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা।মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতা ছিল। ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ এমপির কাছে ৫ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার ও পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেন।দাবিকৃত টাকা না পেয়ে চালক ওবায়দুল্লাহ অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে একটি বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। সংসদ সদস্য একে তার এবং স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও ‘চরিত্র হননের অপচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।গাজী নজরুল ইসলাম এই হীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি সম্পূর্ণ একটি সাজানো ঘটনা। তিনি এই ষড়যন্ত্রের মূল হোতা চালক ওবায়দুল্লাহসহ জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT