খুলনা, বাংলাদেশ | ২৩শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া।
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায়
  খর্নিয়ায় ব্যক্তিগত জমির ওপর জোরপূর্বক ইটের সলিং নির্মাণের অভিযোগ
  ঈদগাঁওয়ে চোলাইমদসহ তিন জনকে কারাদণ্ড 
  ঈদগাঁওতে ১৬ অক্টোবর থেকে শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে, প্রতীমার কাজ চলমান  নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও  ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনাপূর্ণ পরিবেশে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় শারদীয়া দুর্গোৎসব। ১৬ অক্টোবর থেকে সারাদেশের ন্যায় ঈদগাঁওতেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসব। জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের সনা তনী সম্প্রদায়ের লোকজন শারদীয়া দুর্গোৎসব পালন করবেন ব্যাপক উৎসাহমুখর পরিবেশে। আর কয়টা দিন পার হতে না হতে বিভিন্ন মন্দিরে সাজসজ্জাসহ ডেকোরেশনের কার্যক্রম শুরু হবে বলেও এক সূত্রে জানায়। তবে কিছু মন্দিরে প্রতীমা তৈরী কাজ প্রায় শেষের দিকে, কিছুতেই প্রতীমা তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। এদিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদের হিন্দুপাড়া, বাজারের কেন্দ্রীয় কালী মন্দির, ইসলামাবাদের হিন্দুপাড়া,হরিপুর, ঈদগাঁওর পালপাড়া, চৌধুরী পাড়া,বঙ্গিম বাজার এলাকা প্রতিবছর শারদীয়া দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সনাতনীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে নারী পুরুষ,তরুন-তরুনীরা ব্যাপক আনন্দ উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠে। এছাড়াও শারদীয়া দুর্গোৎসব সফল এবং স্বার্থক করতে মন্দির ভিত্তিক নানান কমিটিও গঠন করা হয়।  সূত্রে জানা যায়, এই বছর ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১৭টিতে প্রতীমা পূজা ও ১২টিতে ঘট পূজা হতে যাচ্ছে।  জালালাবাদের হিন্দুপাড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বিকাশ কান্তি দে জানান, প্রতীমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষ। আর কিছুদিন পর ডেকোরেশনসহ সাজসজ্জার কাজ শুরু হবে।  ঈদগাঁও চৌধুরী পাড়ার পল্লী চিকিৎসক মিন্টু জানান,শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতীমা তৈরীর কাজ চলমান। তবে এখনো শুরু হয়নি সাজসজ্জাসহ সৌন্দর্য্যের কাজ।  ঈদগাঁও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক মেম্বার বাবুল কান্তি দে মুঠোফোনে জানান, এবাবের দুর্গোৎসবে ঈদগাঁও উপজেলায় ১৭টি প্রতীমা পূজা, ১২টি ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ অক্টোবর থেকে এই শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হতে যাচ্ছে।
  ঈদগাঁওতে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপও চুরির প্রবণতা বৃদ্ধি 
  ফার্নিচার পল্লীখ্যাত ঈদগাঁওর বাঁশঘাটা সড়কে ময়লা আবর্জনার ভাগাড় 
  ৭ বছরের আইনি লড়াই ও মানসিক যন্ত্রণা শেষে খালাস পেলেন খাদ্য পরিদর্শক ইলিয়াস
  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিট প্রকল্পের আওতায় ‘পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত:
  পাইকগাছায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

অপরুপ সৌন্দর্যের অপর নাম ঈদগাঁওর রেললাইন, সম্ভাবনাময়ী পর্যটন স্পট

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও

অপরূপ সৌন্দর্যের অপর নাম ঈদগাঁওর রেললাইন।সম্ভাবনাময়ী মিনি পর্যটন স্পট। কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা বুক চিরে বয়ে যাওয়া দৃষ্টিনন্দন রেললাইন পড়ন্ত বিকেলে ভ্রমণ পিপাসু দের মাঝে নজর কাটছে অনন্য পরিবেশে। সড়কে দুপাশে সবুজ গাছগাছালিতে ভরপুর। যেন অপরূপ সৌন্দর্যের মিতালী। শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কেউ মুগ্ধ হবেন অনন্য সুন্দর স্পট দেখে। এ স্নিগ্ধ সৌন্দর্য মুগ্ধ করে স্থানীয় লোকজনদের। উপজেলায় কোন দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় গ্রামীন জনপদের ভ্রমণ পিপাসু লোকজনরা এটিকে বেঁচে নিল। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেল সড়ক উপজেলার ইসলামপুর হয়ে কালিরছড়া অংশের দুই পাশ যেন হরেক রকমের সবুজ গাছে সমারোহ। নৈসর্গিক দৃশ্যপট। অবিরাম শীতল বাতাসে বিমোহিত করছে সববয়সী মানুষদেরকে। এমনকি শীতল পরশ মুহূর্তেই ক্লান্তি ভুলে দেয়। প্রকৃতির নান্দনিক তুলিতে আঁকা সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছে ভ্রমণপিয়াসী মানুষ। অনেকে সৌন্দর্য উপভোগ করতে বৈকালিক ছুটে আসে সম্ভাবনাময়ী মিনি স্পট খ্যাত রেল লাইনে। প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি সেতুবন্ধন করেও সবুজের চাদরে ঢাকা রূপের আগুন ঝরায়,যেখানে প্রকৃতি খেলা করে আপন মনে। ঝন ঝন শব্দে ছুটে চলা ট্রেন যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকেই সজীব করে তুলে নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য।অপরদিকে সকালে হালকা কুয়াশা সিক্ত হাটাহাটি করতে দেখা যায় নরনারীদেরকে। এসময়টা খুবই উপভোগ্য ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য। সবুজ শ্যামল আঁকাবাঁকা রেলপথ অপরূপে গড়া সম্ভাবনা ময়ী মিনি স্পট। মন জুড়িয়ে যায় সবখানে। সবুজের মায়াজালে বন্দি পুরো পথটি। ৭ অক্টোবর ( বুধবার) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় প্রতিদিনই বৈকালিক সময়ে ছুটে আসেন রেলপথে নারী-পুরুষ। শীতল পরিবেশ যে কারো মন কেড়ে নেয়। রেল পথের দুই পাশ জুড়েই সারিবদ্ধ সবুজ গাছেই সমারোহ। তরুনদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠে স্পটটি। কেউ বন্ধুদের সাথে সেলফিতে আড্ডায়, অন্য কেউ গানের সুরে সুর তুলছেন আর কেউ ঘুরেফিরে বিকেলের পরিবেশ উপভোগ করছেন।ঘুরতে আসা কজন তরুন জানান, বিকেলের দৃশ্যটি অসাধারণ পরিবেশ, সময় কাটানোর মতো জায়গা। স্থানীয়দের জন্য এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র। সাজেদ সুলতান নামের এক যুবক জানান, হালকা ঠান্ডা পরিবেশে রেল সড়কে বিকেলের ভিউটা অসাধারণ বটে। নানা শ্রেনী পেশার মানুষজন ঘুরতে ছুটে আসেন প্রাকৃতিক কোলাহলমুক্ত রেল পথে। মিন্টু নামের আরেক ব্যাক্তি জানান, রেল সড়কে বিকেল বেলায় হাটাহাটিাহ ঘুরতে আসেন অসংখ্য মানুষ। দৃশ্যময় কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় স্থানীয়রা ছুটে আসছেন রেললাইন দেখতে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT