
এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
অপরূপ সৌন্দর্যের অপর নাম ঈদগাঁওর রেললাইন।সম্ভাবনাময়ী মিনি পর্যটন স্পট। কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা বুক চিরে বয়ে যাওয়া দৃষ্টিনন্দন রেললাইন পড়ন্ত বিকেলে ভ্রমণ পিপাসু দের মাঝে নজর কাটছে অনন্য পরিবেশে। সড়কে দুপাশে সবুজ গাছগাছালিতে ভরপুর। যেন অপরূপ সৌন্দর্যের মিতালী। শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কেউ মুগ্ধ হবেন অনন্য সুন্দর স্পট দেখে। এ স্নিগ্ধ সৌন্দর্য মুগ্ধ করে স্থানীয় লোকজনদের। উপজেলায় কোন দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় গ্রামীন জনপদের ভ্রমণ পিপাসু লোকজনরা এটিকে বেঁচে নিল। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেল সড়ক উপজেলার ইসলামপুর হয়ে কালিরছড়া অংশের দুই পাশ যেন হরেক রকমের সবুজ গাছে সমারোহ। নৈসর্গিক দৃশ্যপট। অবিরাম শীতল বাতাসে বিমোহিত করছে সববয়সী মানুষদেরকে। এমনকি শীতল পরশ মুহূর্তেই ক্লান্তি ভুলে দেয়। প্রকৃতির নান্দনিক তুলিতে আঁকা সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছে ভ্রমণপিয়াসী মানুষ। অনেকে সৌন্দর্য উপভোগ করতে বৈকালিক ছুটে আসে সম্ভাবনাময়ী মিনি স্পট খ্যাত রেল লাইনে। প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি সেতুবন্ধন করেও সবুজের চাদরে ঢাকা রূপের আগুন ঝরায়,যেখানে প্রকৃতি খেলা করে আপন মনে। ঝন ঝন শব্দে ছুটে চলা ট্রেন যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকেই সজীব করে তুলে নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য।অপরদিকে সকালে হালকা কুয়াশা সিক্ত হাটাহাটি করতে দেখা যায় নরনারীদেরকে। এসময়টা খুবই উপভোগ্য ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য। সবুজ শ্যামল আঁকাবাঁকা রেলপথ অপরূপে গড়া সম্ভাবনা ময়ী মিনি স্পট। মন জুড়িয়ে যায় সবখানে। সবুজের মায়াজালে বন্দি পুরো পথটি। ৭ অক্টোবর ( বুধবার) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় প্রতিদিনই বৈকালিক সময়ে ছুটে আসেন রেলপথে নারী-পুরুষ। শীতল পরিবেশ যে কারো মন কেড়ে নেয়। রেল পথের দুই পাশ জুড়েই সারিবদ্ধ সবুজ গাছেই সমারোহ। তরুনদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠে স্পটটি। কেউ বন্ধুদের সাথে সেলফিতে আড্ডায়, অন্য কেউ গানের সুরে সুর তুলছেন আর কেউ ঘুরেফিরে বিকেলের পরিবেশ উপভোগ করছেন।ঘুরতে আসা কজন তরুন জানান, বিকেলের দৃশ্যটি অসাধারণ পরিবেশ, সময় কাটানোর মতো জায়গা। স্থানীয়দের জন্য এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র। সাজেদ সুলতান নামের এক যুবক জানান, হালকা ঠান্ডা পরিবেশে রেল সড়কে বিকেলের ভিউটা অসাধারণ বটে। নানা শ্রেনী পেশার মানুষজন ঘুরতে ছুটে আসেন প্রাকৃতিক কোলাহলমুক্ত রেল পথে। মিন্টু নামের আরেক ব্যাক্তি জানান, রেল সড়কে বিকেল বেলায় হাটাহাটিাহ ঘুরতে আসেন অসংখ্য মানুষ। দৃশ্যময় কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় স্থানীয়রা ছুটে আসছেন রেললাইন দেখতে।
