খুলনা, বাংলাদেশ | ২২শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ঈদগাঁও আন নূর একাডেমির বার্ষিক পুরুস্কার বিতরন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 
  খুলনায় এবার নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা-ভাঙচুর 
  মুকসুদপুরে ৭৮৫ পিস ইয়াবা ও ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতা
  মুকসুদপুরে ৭৮৫ পিস ইয়াবা ও ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতা
  সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত জোনাব বাহিনীর প্রধান জোনাব আলী গ্রেফতার
  তরিকুল হত্যা: মাদক ও ঘেরের চাঁদা নিয়ে বিরোধের সন্দেহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়জনকে নেওয়ার তথ্য, হত্যাকারীদের এক সপ্তাহে গ্রেপ্তারের দাবি এমপির
  কেশবপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর শুভউদ্বোধন করা হয়েছে
  কেশবপুরের মঙ্গলকোট বাজার রংধনুএকাডেমিতে ফলদ গাছের চারা বিতরণ
  ঢাকার মহাসমাবেশে অংশ দিতে ঈদগাঁওর পাঁচ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের যাত্রা
  ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত তরিকুলের শোকাহত পরিবারের পাশে রংপুর ও রঘুনাথপুরের দুই চেয়ারম্যান

ডুমুরিয়ায় চায়না জালে নিধন হচ্ছে ছোট পোনা, বিল-খালে নীরব ‘মাছ শিকার’!

[ccfic]

জি. এম. ফিরোজ, ডুমুরিয়া

খুলনার ডুমুরিয়াজুড়ে খাল-বিল, নদী-নালায় নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর চায়না জালে আটকা পড়ছে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট পোনা মাছ। এতে একদিকে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়ছে জলজ জীববৈচিত্র্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি স্থানে অভিযান হলেও উপজেলার বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে নিয়মিত নজরদারি না থাকায় চায়না জালের ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে না।ডুমুরিয়ার বিশাল বিলডাকাতিয়া ও এর আশপাশের খাল-বিল, নদী-নালাজুড়ে বিভিন্ন স্থানে চায়না জাল পেতে মাছ ধরার অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম বিলডাকাতিয়া বিল, সিঙ্গার বিল, মধুগ্রাম, বরুনা বিল, কপালিয়া, রংপুর, টোলনা,রুদাঘরা বিল,শলুয়া,কৃষ্ণনগর,কোমরাইলসহ বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে এভাবে ছোট পোনা মাছ নিধন চলছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।স্থানীয়দের প্রশ্ন—একটি-দুটি স্থানে অভিযান চালালেই কি শেষ হবে পোনা মাছ নিধন? কৃষি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা যদি নিয়মিত মাঠে না থাকেন, তাহলে হাজার হাজার চায়না জালে আটকা পড়া ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী রক্ষা করবে কে?মৎস্যজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, চায়না জালে বড় মাছের পাশাপাশি অসংখ্য ছোট পোনা, ব্যাঙ, জলজ পোকামাকড়সহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীও আটকা পড়ে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের সংকট আরও তীব্র হতে পারে।সচেতন মহলের দাবি, শুধু লোক দেখানো অভিযান নয়—বিল ডাকাতিয়াসহ ডুমুরিয়ার সব খাল-বিল ও নদী-নালায় নিয়মিত অভিযান, চায়না জাল জব্দ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের সমন্বিত নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।স্থানীয়দের ভাষ্য, পেটের দায়ে যারা মাছ ধরছেন তাদের বিষয়টি যেমন বিবেচনায় নিতে হবে, তেমনি আগামী প্রজন্মের মাছের ভাণ্ডার রক্ষায় নির্বিচারে পোনা নিধনও বন্ধ করতে হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT