
পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি:যশোরের কেশবপুরে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ মোক্তার আলী। শুধু নির্দেশনা কিংবা দাপ্তরিক উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি নিজেই বিলের পানিতে নেমে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে কচুরিপানা অপসারণের কাজে অংশ নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।শনিবার (২২ আগস্ট-২৬) কেশবপুরের বিল এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় সংসদ সদস্য মোঃ মোক্তার আলী নিজ হাতে বিলের পানিতে জমে থাকা কচুরিপানা টেনে তোলেন এবং পানি প্রবাহের প্রতিবন্ধকতা দূর করার কাজে স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগকে নিজের সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।কেশবপুরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষ, কৃষক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ পরিস্থিতিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে সংসদ সদস্যের সরাসরি মাঠপর্যায়ে এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধিকে যখন সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বাস্তব সমস্যার সমাধানে নিজের হাতেই করতে দেখা যায়, তখন মানুষের মধ্যে আস্থা ও সাহস তৈরি হয়। এমপি মোঃ মোক্তার আলীর এ উদ্যোগ শুধু কচুরিপানা অপসারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি সাধারণ মানুষকে স্বেচ্ছাশ্রমে এলাকার সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার জন্যও উৎসাহিত করবে।কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর কেশবপুর উপজেলা সেক্রেটারি রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, কেশবপুরের জলাবদ্ধতা নিরসনে পর্যায়ক্রমে এলাকার ২৭টি বিলের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বিল ও জলাধারে জমে থাকা কচুরিপানা এবং পানি প্রবাহে সৃষ্ট অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণের মাধ্যমে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সাধারণ মানুষের ভাষ্য, “কথায় নয়, কাজে মানুষের পাশে”— এমপি মোঃ মোক্তার আলীর পানিতে নেমে কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ তারই একটি দৃশ্যমান উদাহরণ। তাঁর এমন সরাসরি জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ড কেশবপুরের মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছেন।
