খুলনা, বাংলাদেশ | ৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  কেশবপুর প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ।
  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে KU Insiders-এর টানা ৩য় বারের মতো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত:
  খুলনায় মাদক ও আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে জোড়া খুন, গ্রেপ্তার ৩
  জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শ্রদ্ধা
  ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার
  মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন হাজীগঞ্জের জুম্মান
  ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্রাকচাপায় শিশুসহ ৪ জন নিহত
  ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, মহাসড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

খুলনায় দলিল লেখকের উপর দুর্বৃত্তদের হামলা

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :

খুলনার আড়ংঘাটা থানাধীন শলুয়া বাজারের সামনে কুন্ডু চন্দ্র বিদ্যালয়ের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় দলিল লেখক পঙ্কজ রায় (৫৮)-কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। হামলাকারীরা তার দুই পা ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ।শুক্রবার (২১ আগস্ট ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এ বর্বর হামলার ঘটনা ঘটে। আহত পঙ্কজ রায় শলুয়া এলাকার মৃত পুলিন কুমার রায়ের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শলুয়া বাজারে দলিল লেখার কাজ করে আসছিলেন। আহতের ভাইপো সোহাগ জানান, রাতের বেলা বাড়ি ফেরার পথে ব্রিজের কাছে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার চাচার গতিরোধ করে। কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই তারা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এ সময় লোহার হাতুড়ি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা পঙ্কজ রায়ের দুই পায়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে পা দুটি ভেঙে দেয়। হামলার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় পঙ্কজ রায়কে উদ্ধার করে প্রথমে আড়ংঘাটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ আহতের পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আড়ংঘাটা থানার ওসি বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা প্রক্রিয়াধীন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।রাতের বেলা জনবহুল শলুয়া ব্রিজ এলাকায় এ ধরনের হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT