
পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি
‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুরে তিন দিন ব্যাপী জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠানে ছিলো চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, পুরষ্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট-২৬) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রথম থেকে দশম শ্রেণির ৫২ জন শিক্ষার্থী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কাজী মেশকাতুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মোছাঃ আনজু মনোয়ারা, উপজেলা সমবায় অফিসার মোছাঃ নাসিমা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান। বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ক গ্রুপে ১ম হয়েছে আহনাফ ইসলাম অয়ন, ২য় হয়েছে শ্রেয়াস কুন্ডু, ৩য় হয়েছে সাইবা ইসলাম আস্থা। খ গ্রুপে ১ম হয়েছে অভ্রতনু দাশ, ২য় হয়েছে রুদ্রনীল দাশ, ৩য় হয়েছে জান্নাতুল ফিরদাউস। গ গ্রুপে ১ম হয়েছে রাজদীপ দও, ২য় হয়েছে তাহমীদ মুক্তাকী আহনাফ, ৩য় হয়েছে রাফসানা আফরিন। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। চিত্রাঙ্কন শেষ প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে কেশবপুরে প্রথম দিন রোববার অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে মৎস্য খাতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য পাঁচজন মৎস্য চাষিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে মোঃ মোখলেসুর রহমান মুকুল, চিংড়ি চাষে সুমন শেখ, পোনা মাছ চাষে রিপন হোসেন, অ্যাকুরিয়াম ফিশ উৎপাদনে মেহেদী হাসান এবং মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য জহরুল আলমকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। আলোচনা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে ২০ কেজি রুই মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।দ্বিতীয় দিন সোমবার ছিলো, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক মতবিনিময় সভা এবং জনবহুল স্থানে (কেশবপুর পৌরসভা) প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন।
