
সাব্বির খান ডালিম,ডুমুরিয়া: খুব শীঘ্রই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে– সরকারের তরফ থেকে এমন ঘোষণার পর ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বলা চলে, উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন বেশ সরগরম। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা এবং সাধারণ ভোটারদের জল্পনা-কল্পনায় নতুন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে। এই নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যে বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বহুল পরিচিত সমাজসেবী ও ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ খর্নিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বার বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মোল্লা আবুল কাশেম তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে তৃণমূলের অনেকে তাঁকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করেন, উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে মোল্লা আবুল কাশেম°র মতো একজন যোগ্য, সৎ এবং দূরদর্শী মানুষই চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে উপযুক্ত। তাঁর সমর্থকদের মতে, মোল্লা আবুল কাশেম এর সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো তাঁর সামাজিক অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সাথে সুগভীর সম্পর্ক। সামাজিক পরিবার থেকে উঠে আসা সম্ভাব্য এই চেয়ারম্যান প্রার্থী অত্যন্ত ভদ্র, অমায়িক এবং মৃদুভাষী মানুষ হিসেবে পরিচিত। এই সদালাপী ব্যক্তিত্বই তাঁকে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তাঁর পরিচ্ছন্ন ইমেজ তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ডুমুরিয়া উপজেলা সহ খর্নিয়া ইউনিয়নের অনেক সচেতন নাগরিক মনে করেন, একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে হতে হয় জনবান্ধব এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন। মোল্লা আবুল কাশেম এর সেই সক্ষমতা রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াননি, বরং সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা লালন করেছেন। তিনি একজন পরিশ্রমী রাজনৈতিক নেতা। এমন একটি ইতিবাচক ইমেজের কারণে তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভোটারদের অনেকে মনে করছেন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং ইউনিয়নের সমস্যা নিরসনে তিনি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান, তবে ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়ন একটি দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সমীকরণে জনপ্রিয়তাই জয়ের মূল চাবিকাঠি। মাঠ পর্যায়ে তাঁর যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাতে অনেকে মনে করছেন, তিনি যদি শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল তাঁর অনুকূলে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল থেকে এই দাবি ওঠার পেছনে প্রধান কারণ হলো, স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তন ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সময়ে দলের চেয়েও ব্যক্তিগত স্বচ্ছতা ও জনপ্রিয়তাকে ভোটাররা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর এই মানদণ্ডেই মোল্লা আবুল কাশেম অন্য অনেকের চেয়ে এগিয়ে থাকছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূলের এই জোরালো দাবি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন ও একটি আধুনিক ইউনিয়ন বিনির্মাণের স্বপ্নপূরণে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন কিনা এখন সেটাই দেখার বিষয়। আর তাঁর দল বিএনপিও তাঁকে সমর্থন করে কিনা সেটাও দেখার বিষয়। অনেকে মনে করছেন, তৃণমূলে মোল্লা আবুল কাশেম জনপ্রিয়তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নিয়ে আসবে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট—তারা এমন একজন প্রার্থী খুঁজছেন যিনি জনগণের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন। সেই প্রত্যাশার সাথে মোল্লা আবুল কাশেম রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত আচরণের মিল থাকায় তাঁকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহের পারদ ক্রমশই চড়ছে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে বেশ জমজমাট হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায়।
