খুলনা, বাংলাদেশ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম

অতিবৃষ্টির কারণে সবজি রোপণকারীদের মাথায় হাত, ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

[ccfic]

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

টানা কয়েকদিনের অতিবৃষ্টিতে খুলনার কয়রা উপজেলার মাঠের পর মাঠ সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। আগাম সবজি রোপণ করে যারা স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাদের এখন মাথায় হাত। পুঁজি হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা উপকূলের কৃষকরা।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নিচু জমির লাউ, কুমড়া, বেগুন, মরিচ ও শাকসবজির চারা পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক জমিতে পানি এখনও জমে আছে। অতিরিক্ত বৃষ্টি ও রোদের অভাবে বাকি সবজিতেও পচন ধরেছে।কয়রা সদর ইউনিয়নের সবজি চাষি আব্দুল করিম বলেন, “১ বিঘা জমিতে লাউ আর মরিচের চারা লাগাইছিলাম। ৪০ হাজার টাকা খরচ করছি। এখন সব পানির তলে। একটা গাছও বাঁচবে বলে মনে হয় না। সামনে সংসার চালামু কেমনে তাই ভাবতেছি।”আরেক চাষি রাবেয়া খাতুন বলেন, “বাজারে সবজির দাম বেশি দেখে ধার করে চাষ করছিলাম। বৃষ্টিতে সব শেষ। এখন ব্যাংকের কিস্তি দিব কিভাবে?”কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অতিবৃষ্টিতে উপজেলার প্রায় ৮০০ হেক্টর জমির আগাম সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টি আরও ২-৩ দিন চললে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “অতিবৃষ্টির কারণে সবজি ক্ষেতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে গাছের গোড়া পচে যাচ্ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে কর্মীদের পাঠিয়ে চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছি। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে এবং ছত্রাকনাশক স্প্রে করার কথা বলছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে আমরা কৃষি প্রণোদনার জন্য আবেদন করব।”স্থানীয় কৃষকরা সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা ও বিনামূল্যে বীজ-সার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, দ্রুত সহায়তা না পেলে অনেক পরিবারকে অভাবের মধ্যে দিন কাটবে

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT