খুলনা, বাংলাদেশ | ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানালেন দাকোপের শিক্ষক ও সংস্কৃতি কর্মী দেবব্রত সরদার
  খুলনায় যুবককে গুলি করে মোবাইল ফোন ছিনতাই
  নগরীতে ট্রেনের ধাক্কায় দুইজনের মৃত্যু
  প্রবাস আয় এক বছরে বেড়েছে ১৭.৩০ শতাংশ
  বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া।
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায়
  খর্নিয়ায় ব্যক্তিগত জমির ওপর জোরপূর্বক ইটের সলিং নির্মাণের অভিযোগ
  ঈদগাঁওয়ে চোলাইমদসহ তিন জনকে কারাদণ্ড 
  ঈদগাঁওতে ১৬ অক্টোবর থেকে শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে, প্রতীমার কাজ চলমান  নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও  ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনাপূর্ণ পরিবেশে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় শারদীয়া দুর্গোৎসব। ১৬ অক্টোবর থেকে সারাদেশের ন্যায় ঈদগাঁওতেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসব। জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের সনা তনী সম্প্রদায়ের লোকজন শারদীয়া দুর্গোৎসব পালন করবেন ব্যাপক উৎসাহমুখর পরিবেশে। আর কয়টা দিন পার হতে না হতে বিভিন্ন মন্দিরে সাজসজ্জাসহ ডেকোরেশনের কার্যক্রম শুরু হবে বলেও এক সূত্রে জানায়। তবে কিছু মন্দিরে প্রতীমা তৈরী কাজ প্রায় শেষের দিকে, কিছুতেই প্রতীমা তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। এদিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদের হিন্দুপাড়া, বাজারের কেন্দ্রীয় কালী মন্দির, ইসলামাবাদের হিন্দুপাড়া,হরিপুর, ঈদগাঁওর পালপাড়া, চৌধুরী পাড়া,বঙ্গিম বাজার এলাকা প্রতিবছর শারদীয়া দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সনাতনীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে নারী পুরুষ,তরুন-তরুনীরা ব্যাপক আনন্দ উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠে। এছাড়াও শারদীয়া দুর্গোৎসব সফল এবং স্বার্থক করতে মন্দির ভিত্তিক নানান কমিটিও গঠন করা হয়।  সূত্রে জানা যায়, এই বছর ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১৭টিতে প্রতীমা পূজা ও ১২টিতে ঘট পূজা হতে যাচ্ছে।  জালালাবাদের হিন্দুপাড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বিকাশ কান্তি দে জানান, প্রতীমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষ। আর কিছুদিন পর ডেকোরেশনসহ সাজসজ্জার কাজ শুরু হবে।  ঈদগাঁও চৌধুরী পাড়ার পল্লী চিকিৎসক মিন্টু জানান,শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতীমা তৈরীর কাজ চলমান। তবে এখনো শুরু হয়নি সাজসজ্জাসহ সৌন্দর্য্যের কাজ।  ঈদগাঁও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক মেম্বার বাবুল কান্তি দে মুঠোফোনে জানান, এবাবের দুর্গোৎসবে ঈদগাঁও উপজেলায় ১৭টি প্রতীমা পূজা, ১২টি ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ অক্টোবর থেকে এই শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হতে যাচ্ছে।

আজগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে _মোল্লা লিটন আহমেদ.

[ccfic]

 

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম // আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে খুলনার তেরখাদা উপজেলার ১নং আজগড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মোল্লা লিটন আহমেদ। তার নির্বাচনী পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো ইউনিয়ন। ভোটারদের মুখে মুখে এখন একটাই নাম – মোল্লা লিটন।খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোল্লা লিটন আহমেদ। দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে এলাকার সাধারণ জনগণের কাছে পরিচিত মুখে পরিণত করেছে। বিপদে- আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, গরিব-দুঃখীর সহায়তা – এসব কারণেই তেরখাদার মাটিতে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোল্লা লিটন আহমেদ বংশগতভাবেও আজগড়া ইউনিয়নের (শেখপুরা গ্রামের বাসিন্দা) একটি সম্ভ্রান্ত ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান। তার পরিবারের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান দীর্ঘ দিনের। এই পারিবারিক ভিত্তি এবং এলাকায় তার ব্যক্তিগত সুনাম – দুইয়ে মিলে ভোটের মাঠে তাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার – সব জায়গায় মোল্লা লিটন আহমেদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। ভোটাররা বলছেন, “লিটন ভাইকে আমরা ছোটবেলা থেকে চিনি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে। বংশগত ভাবেও তাদের পরিবারের সুনাম আছে। তাই এবার চেয়ারম্যান হিসেবে তাকেই বেছে নিতে চাই।এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠরা জানান, আগের নির্বাচনগুলোর ভোটের হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় মোল্লা লিটন আহমেদের সামাজিক যোগাযোগ ও জনসমর্থন অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীর চেয়ে বেশি। সেই আস্থা ও জন প্রিয়তাকে পুঁজি করেই তিনি এবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।১নং আজগড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বলছেন, তৃণমূলের দাবির প্রেক্ষিতে মোল্লা লিটন আহমেদকে প্রার্থী হিসেবে সামনে আনা হয়েছে। দলীয় প্রতীক ও আদর্শকে সামনে রেখে তিনি মাঠে সক্রিয়। প্রতিদিনই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা করছেন। ভোটারদের সমস্যার কথা শুনছেন, সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।মোল্লা লিটন আহমেদ নিজে বলেন, “আজগড়া ইউনিয়নের মানুষ আমাকে ভালোবাসে, আস্থা রাখে। আমিও তাদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট ও কৃষকের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবো। জনগণের দোয়া ও সমর্থনই আমার মূল শক্তি।তফসিল ঘোষণা না হলেও আজগড়া ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়ে গেছে। পোস্টার-ব্যানারে মোল্লা লিটন আহমেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে – এবারের চেয়ারম্যান পদের লড়াইয়ে তিনি বড় ফ্যাক্টর। ভোটাররা এখন দেখছেন, কে কতটা জনগণের পাশে থাকতে পারে। আর সেই দৌড়ে মোল্লা লিটন আহমেদই এখন আলোচনার শীর্ষে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT