মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম // আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে খুলনার তেরখাদা উপজেলার ১নং আজগড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মোল্লা লিটন আহমেদ। তার নির্বাচনী পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো ইউনিয়ন। ভোটারদের মুখে মুখে এখন একটাই নাম - মোল্লা লিটন।খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোল্লা লিটন আহমেদ। দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে এলাকার সাধারণ জনগণের কাছে পরিচিত মুখে পরিণত করেছে। বিপদে- আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, গরিব-দুঃখীর সহায়তা - এসব কারণেই তেরখাদার মাটিতে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোল্লা লিটন আহমেদ বংশগতভাবেও আজগড়া ইউনিয়নের (শেখপুরা গ্রামের বাসিন্দা) একটি সম্ভ্রান্ত ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান। তার পরিবারের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান দীর্ঘ দিনের। এই পারিবারিক ভিত্তি এবং এলাকায় তার ব্যক্তিগত সুনাম - দুইয়ে মিলে ভোটের মাঠে তাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার - সব জায়গায় মোল্লা লিটন আহমেদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। ভোটাররা বলছেন, "লিটন ভাইকে আমরা ছোটবেলা থেকে চিনি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে। বংশগত ভাবেও তাদের পরিবারের সুনাম আছে। তাই এবার চেয়ারম্যান হিসেবে তাকেই বেছে নিতে চাই।এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠরা জানান, আগের নির্বাচনগুলোর ভোটের হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় মোল্লা লিটন আহমেদের সামাজিক যোগাযোগ ও জনসমর্থন অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীর চেয়ে বেশি। সেই আস্থা ও জন প্রিয়তাকে পুঁজি করেই তিনি এবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।১নং আজগড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বলছেন, তৃণমূলের দাবির প্রেক্ষিতে মোল্লা লিটন আহমেদকে প্রার্থী হিসেবে সামনে আনা হয়েছে। দলীয় প্রতীক ও আদর্শকে সামনে রেখে তিনি মাঠে সক্রিয়। প্রতিদিনই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা করছেন। ভোটারদের সমস্যার কথা শুনছেন, সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।মোল্লা লিটন আহমেদ নিজে বলেন, "আজগড়া ইউনিয়নের মানুষ আমাকে ভালোবাসে, আস্থা রাখে। আমিও তাদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট ও কৃষকের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবো। জনগণের দোয়া ও সমর্থনই আমার মূল শক্তি।তফসিল ঘোষণা না হলেও আজগড়া ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়ে গেছে। পোস্টার-ব্যানারে মোল্লা লিটন আহমেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে - এবারের চেয়ারম্যান পদের লড়াইয়ে তিনি বড় ফ্যাক্টর। ভোটাররা এখন দেখছেন, কে কতটা জনগণের পাশে থাকতে পারে। আর সেই দৌড়ে মোল্লা লিটন আহমেদই এখন আলোচনার শীর্ষে।