
রাষ্ট্রপতির বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালেন ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদের নির্বাহী সভাপতি
খুলনা প্রতিনিধি :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির দেওয়া ‘পৃথিবীতে অন্যায় ও নিপীড়ন দেখা দিলে দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল’ মূলক বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদের নির্বাহী সভাপতি মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া।তিনি বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস ও আকিদার বিষয়গুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিশেষ করে মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা জরুরি। ইসলামী আকিদা অনুযায়ী, মহান আল্লাহ তাআলাই সমগ্র জগতের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, প্রকৃত রক্ষাকর্তা ও ত্রাণকর্তা। তাই এ বিষয়ে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা অপরিহার্য।২০ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার সকালে জামি’আ ইসলামিয়া মারকাযুল উলূম মাদরাসায় খুলনার বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের সঙ্গেমতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ। এ দেশের সব ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রয়েছে। তবে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের বক্তব্যে বিশেষ সতর্কতা, সংযম ও দায়িত্বশীলতা থাকা প্রয়োজন। একজন মুসলিমের জন্য এমন বক্তব্য ঈমান বিধ্বংসী ও ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত।মতবিনিময়কালে তিনি সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের এবং ভুল স্বীকার করে সংশোধনের প্রতি আহ্বান জানান।এ ছাড়াও ধর্মীয় মূল্যবোধ, ইসলামী আইন সংরক্ষণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।উক্ত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুফতী জাকির হুসাইন, মুফতী শরীফ মাশহুদুর রহমান, মুফতী রবিউল ইসলাম রাফে, মাওলানা নেসার উদ্দিন, মুফতী জুনাইদ আহমাদ, মুফতী ইব্রাহিম খলীল, মাওলানা ইকবাল হুসাইন প্রমুখ
