
মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম- স্টাফ রিপোর্টার// খুলনা-৪ আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি প্রতিরোধে বর্তমান সরকার দৃঢ় পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। মব সন্ত্রাস করে, পরের জমি দখল করে, চাঁদাবাজি করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এদেশের মানুষ যাতে সুখী, সমৃদ্ধ ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে তার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তিনি বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এক স্বার্থান্বেষী মহল দেশে বিশৃঙ্খলা এবং অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অশুভ পায়তারা করছে। তাদের এ অশুভ কর্মকাণ্ড দমনে নব গঠিত বিএনপি সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে।মাদক সম্পর্কে তিনি বলেন, খুলনা-৪ আসন এলাকায় মাদক ক্রয় বিক্রয় বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে রয়েছে প্রশাসন। মাদক ক্রয় বিক্রেতা বা সন্ত্রাসী ব্যক্তি কোনো দলের হতে পারে না। এ অশুভ কাজে যারাই সহযোগিতা বা আশ্রয় প্রদান করবে তাদের বিরুদ্ধেও বিএনপি সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন, প্রজাতন্ত্রের কাজ সুষ্ঠু, দুর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধব করতে যত রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার তা সবই বর্তমান সরকার ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করবে। এ কারণে সকল কর্মকর্তাকে দল মতের উর্ধ্বে থেকে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে দেশের ভঙ্গুর অব কাঠামোগত উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।এরপূর্বে তিনি রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এরপর তিনি খুলনা জেলা প্রশাসন আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে যোগদান করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। এসময় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাজেদুল হক কাউসার, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ার উল কুদ্দস, নির্বাচন কর্মকর্তা আ. সাত্তার, শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মো. বোরহান উদ্দীন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. রাসেল, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মদন কুমার দাস, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, পল্লী বিদ্যুৎ এজিএম এম হালিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান, সমবায় কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহম্মেদ, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত সরকার, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান,রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা লবিলুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছাফুর রহমান সহ বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম,জিএম কামরুজ্জামান টুকু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুজ্জামান বিশ্বাস,আরিফুর রহমান, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির শেখ, ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এসএম আ. মালেক, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু,ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য সচিব ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিকাইল বিশ্বাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, যুব মহিলা দল নেত্রী শারমিন আক্তার আখি, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ নিয়ামত আলী, বাদশা জমাদ্দার, জিএম আসাদুজ্জামান, আসাদুজ্জামান বিপ্লব, মাসুম বিল্লাহ, মুন্না সরদার, খান আলিম হাসান, মাসুদ খান, সাইফুল ইসলাম পাইক, ফিরোজ মাহমুদ, জাহিদুল ইসলাম রবি, আরিফ মোল্লা, মিশকাত মোল্লা, মোকাররম হোসেন, শাহ জামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, খায়রুল আলম খোকন,রূপসা থানা যুবদল নেতা এল, এম মুরসালিম ইসলাম ( রনি) ঘাটভোগ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক নেতা মোস্তইন শেখসহ বিএনপির সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
