
মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম- স্টাফ রিপোর্টার// মনিরুল হাসান বাপ্পী খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এবং খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে বিএনপির প্রার্থী। তিনি রূপসা উপজেলার কৃতি সন্তান এবং রূপসা উপজেলার ২নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। বাপ্পীকে খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা ও দুই পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে খুলনা অঞ্চলে দলের সংগঠন শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে তাকে খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার করেছে। বাপ্পী খুলনা-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেছিলেন, কিন্তু নির্বাচনে পরাজিত হন। এদিকে রূপসা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির শেখ, ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক এস এম আ. মালেক, ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য সচিব ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিকাইল বিশ্বাস, ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য মহিতোষ ভট্টাচার্য, তেরখাদা উপজেলার আজগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি সাবেক সদস্য মো. এসকেন্দার মোল্লা, ঘাটভোগ ইউনিয়ন ছাত্র দল নেতা এল এম মুরসালিম (রনি) ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক নেতা মো. মোস্তাইন শেখ, ঘাটভোগ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী অনিন্দ্য মালাকার , ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কৃপাসিন্ধু (গুট্টে) মালাকার, বিএনপি নেতা অমৃত মালাকার, বিএনপি নেতা স্বপন চন্দ্র লস্কর, বিএনপি নেতা উত্তম মালাকার সহ খুলনার বিএনপির সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মনিরুল হাসান বাপ্পীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। মনিরুল হাসান বাপ্পীর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের জন্য তিনি কতটা উপযুক্ত, তা নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। তবে, তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং দলের সংগঠন শক্তিশালী করার জন্য তার অবদান তাকে এই পদের জন্য একটি শক্তিশালী প্রার্থী করে তুলেছে।
