
নিজেস্ব প্রতিনিধি সাদিয়া আক্তার:লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, আমি জামায়াতে যোগ দিইনি, জামায়াতও এলডিপিতে যোগ দেয়নি। আমরা দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তি এক হয়ে কতগুলো কর্মসূচি নিয়েছি। কর্মসূচিগুলো হলো আমরা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব। টেন্ডারবাজি বন্ধ করব।দুর্নীতি বন্ধ করব। ঋণখেলাপিদের জেলে আবদ্ধ করে ঋণগুলো পরিশোধের ব্যবস্থা করব।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।কর্নেল অলি বলেন, আমি বিএনপির নেতাকর্মীদের বলছি তোমরা লেখাপড়া করো, আর গুণ্ডামি চলবে না।ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বেয়াদবি করা চলবে না। বিএনপিকে ভোট দিলে দেশ ঋণখেলাপি, সন্ত্রাসী ও মাস্তানদের হাতে চলে যাবে।তিনি বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলেন, তিনি মোদির কথায় চলাফেরা করেন।কর্নেল অলি বলেন, আমি ডা. শফিকুর রহমানকে অনুরোধ করব ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়াবেন। শিক্ষিত ও বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। এখন জাতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনারা কি দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন নাকি ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে ভোট দেবেন।জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মো. আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা নুরে আলম খন্দকারের পরিচালনায় জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, কুমিল্লা মহানগরী সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমির মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সাবেক যে চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, ইকবাল হোসেন মজুমদার, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা শাহজালাল, জিএস খলিলুর রহমান, এনসিপির চৌদ্দগ্রাম উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার প্রমুখ।এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবুল হাশেম, মহসিন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশীদসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াত শিবির নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ।
