খুলনা, বাংলাদেশ | ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  মোল্লাহাটে ১,৬০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে পাটবীজ বিতরণ
  রূপসা উপজেলা নির্বাচনে এগিয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী -রহিমা আক্তার নয়ন.
  খুলনায় সাংবাদিক পরিচয়ে ঘোরাফেরা, অতঃপর বিদেশি পিস্তল সহ আটক
  তেরখাদায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মিলু, জনসমর্থনে এগিয়ে থাকার আলোচনা
  কেএমপি ডিবি’র অভিযানে ওয়ারেন্ট ও সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত ১০ (দশ)টি মামলার আসামী গ্রেফতার
  মোল্লাহাটে মাছ চুরির ঘটনায় গণপিটুনিতে যুবক আহত, চোখ নষ্টের অভিযোগ
  ডুমুরিয়ায় পোকা দমনে আলোক ফাঁদ কার্যকর
  কেশবপুরে ভেজাল দুধ তৈরি করায় ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায়
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  কেশবপুরে এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দিঘলিয়া তুচ্ছ ঘটনায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও মারপিটের ঘটনায় অভিযো

[ccfic]

নিজস্ব প্রতিবেদক;

দিঘলিয়া-চন্দনীমহল ভূঁইপাড়া এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মারপিট ও লুটপাটের ঘটনায় দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।৬ জানুয়ারি জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মোঃ নজরুল গাজী ও বাবর আলী গ্রুপের সাথে তর্ক বিতর্কের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা নিয়ে ঐদিন সকাল ১১ টায় দিঘলিয়া থানায় মনি বেগম একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের জের ধরে ৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটায় মনি বেগমসহ তার স্বামী মুজিবর ছেলে জিলানী ও ছেলের বউ মঞ্জিলাকে বেধড়ক মারধর করে। আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচ দিন চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে মনি বেগম বলেন, ৬ জানুয়ারি ও ৭ জানুয়ারি দুদিন হামলা, আমার ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট করে। তাই আমি দিঘলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। তবে আমারই প্রতিপক্ষ অর্থের লেনদেনের মাধ্যমে থানা কে বসে নিয়ে আসেন থানা আমার কোন অভিযোগে কাউকে আটক বা মামলা কোনটাই নেননি।এ বিষয় শেখ মুজিবর বলেন, নজরুল গাজী ও বাবর আলী গ্রুপ অভিযোগ করে এলাকায় এসে হুমকি দিয়ে বলছেন মামলা করছি তোদের পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে নেব। তোদের কোন বাপ আছে বাঁচাবে দেখবো।উল্টো আমারি প্রতিবেশী নাসরিন আক্তার ও মাসুদ দুই ভাই বোন এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করলে তার বিরুদ্ধেও থানায় মামলা করেছেন অভিযুক্তরা।মনি বেগমের লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন মোঃ এস্কেন, মোঃ সুমন, মোঃ নজরুল গাজী, মোঃ শাহিদুল, মোঃ জিকির মল্লিক, মোঃ আপন, মোঃ শাহীন, হাফিজা বেগম, বাবু , ফিরোজা বেগম ও আমেনা বেগমের নামে মারধরের করার অভিযোগে ৬ ও ৭ জানুয়ারি দুটি লিখিত অভিযোগ করলেও দিঘলিয়া থানার কর্মকর্তারা অভিযোগটি আমলে নেননি।এ ঘটনায় দিঘলিয়া থানার ওসি এস এম শাহীন বলেন, দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। দুপক্ষ এই অভিযোগ করেছে ঘটনার বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT