
নিজস্ব প্রতিনিধী খুলনা:– ডুমুরিয়ায় কাঞ্চনপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস প্রস্তুতকালে মূলহোতা অসাধু্ ুব্যবসায়ী আনিচুর রহমান পলাশ (৪৫) কে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সে ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর এলাকার মৃত লুৎফর দফাদারের ছেলে। শনিবার দুপুরে আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সোহেল রানা। এ সময় তার সাথে ছিলেন স্পেশাল রেসপন্স বাহিনীর (এসআরবি) -৬- এর কোম্পানি কমান্ডার জায়েনুদ্দীন মোহাম্মদ জাহিদ।এসআরবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে অধিক মুনাফা লাভের জন্য অসাধু ব্যবসায়ী আনিচুর রহমান পলাশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রোগাক্রান্ত ঘোড়া কম দামে কিনে এনে তার হেফাজতে রাখতো। উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের নির্জন এলাকায় টিনশেডের ঘেরা বেড়া দিয়ে গড়ে তোলেন সাউথ বেঙ্গল ক্যাটল নামের একটি কথিত ফার্ম। বিভিন্ন মোকাম থেকে পাইকারদের চাহিদা অনুযায়ী সেখানে প্রতিদিন গভীর রাতে ৪/৫ জন শ্রমিক দিয়ে ওই সকল ঘোড়ার জবাই করে মাংস প্রস্তুত পূর্বক পলিথিনে প্যাকেট করে রাজধানী ঢাকা, খুলনা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে আসছিলেন। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৬ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল শুক্রবার দিবগত রাত ১টার দিকে ওই এলাকায় ঘিরে রাখে। এরপর কৌশলে ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পান জবাইকৃত তিনটি ঘোড়ার মাংস প্রস্তুত করে প্যাকেট সাজিয়ে রাখা হয়েছে। আরও একটি ঘোড়া জবাই করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ৩/৪ শ্রমিক দৌড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু মূলহোতা আনিচুর রহমান পলাশ এসআরবি’র হাতে আটক হয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে শনিবার ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রাণিসম্পাদ সংরক্ষণ আইনে অসাধু ব্যবসায়ী পলাশকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডদেশ দেন। আর মাংসগুলো মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়।
