
নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়ন এলাকায় সরকারি সম্পত্তি দখল, পুকুর ও হাট ইজারা কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি এবং জমি উদ্ধারের নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ছয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে প্রতিকার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছেন এলাকার ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সাধারণ জনগণ।অভিযুক্ত ছয় ব্যক্তি হলেন— নোনাহার গ্রামের মৃত হাই-এর ছেলে রবিউল, মোজাফফরের ছেলে মমিনুল, মৃত কিনার ছেলে নেজারুল, মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন, কুশারপাড়া গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে ধলা এবং বাঁকইল গ্রামের মৃত কালুর ছেলে শফিনুর ইসলাম।ছাওড় ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের পক্ষে হাসান আলী, রবিউল, সাহামদ্দিন ও নোনাহার গ্রামের মৃত জিল্লুর ছেলে জাইদুর রহমান লিখিত আবেদনে অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ছয়জনের চক্রটি ছাওড় ইউনিয়নের সরকারি খাস পুকুর ইজারা ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জোরপূর্বক অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে।আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, চক্রটি স্থানীয় মশিদপুর হাটে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক ব্যবসায়ীর নির্ধারিত জায়গা অন্য ব্যবসায়ীকে অবৈধভাবে লিজ বুঝিয়ে দিয়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এমনকি সরকারি ময়লা-আবর্জনা ফেলার জায়গাও ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।এছাড়া নোনাহার পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা আব্বাছ নামে এক ব্যক্তির দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চক্রটি ৪০ হাজার টাকা আদায় করে। তবে জমি উদ্ধার না করে উল্টো পরবর্তীতে ভুক্তভোগী আব্বাস টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাকে ভয়ভীতি ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগে জানানো হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অন্যতম অভিযুক্ত শফিনুর ইসলাম সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি মশিদপুর হাটের বিষয় বা এই ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত নই। কারো কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম জানান, “অভিযোগ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
