
শেখ নাসির উদ্দীন, খুলনাঃ
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নগরীর পাওয়ার হাউস মোড়স্থ দলীয় কার্যালয় চত্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশ ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ হাবিবুল্লাহ মিসবাহ ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ সাব্বির আহমাদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি মুফতী ইমরান হোসাইন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দীন, সেক্রেটারি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি আব্দুর রশীদ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি মুহাম্মাদ মাহদী হাসান মুন্না, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম।সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ আহমাদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক নাঈম হাসান, তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মাদ শাহরিয়ার তাজ, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম, কওমি মাদরাসা সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, সাবেক ছাত্র নেতা মুফতী ফয়সাল করীমসহ থানা ও ক্যাম্পাস শাখার নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি মুফতী ইমরান হোসাইন বলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ আজ ৩৫ বছরে পদার্পণ করেছে। এই ৩৫ বছর কেবল বয়সের হিসাব নয়, এটি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই, ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান, আদর্শিক নেতৃত্ব তৈরির সংগ্রাম এবং একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দীর্ঘ অভিযাত্রা।তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। মানুষের ভোটাধিকার, নাগরিক নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তির প্রশ্ন আজও প্রাসঙ্গিক। রাজনীতিকে দুর্নীতি, দখলদারিত্ব, পেশিশক্তি ও ব্যক্তিস্বার্থের বলয় থেকে বের করে নীতি ও আদর্শের রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে হবে। জনগণের রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি, ক্ষমতা ভোগের রাজনীতি নয়।সমাবেশ শেষে র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাকবাংলা মোড় ও শহীদ হাদিস পার্ক হয়ে পুনরায় পাওয়ার হাউস মোড়ে এসে দোয়ার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
