
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় ২৫ সদস্য বিশিষ্ট ক্রীড়া সংস্থার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন লাভ করেছে। ঘোষিত এই কমিটি নিয়ে আবার সমালোচনা দেখা দিয়েছে।১৮ আগষ্ট ঈদগাঁও উপজেলা নিবাহী অফিসার, ক্রীড়া সংস্থা সভাপতি মংচিংনু মারমা স্বাক্ষরিত এ কমিটি অনুমোদিত হয়। এতে সভাপতি হলেন (পদাধিকার বলে) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সাধারণ সম্পাদক হন সাবেক যুব ও ছাত্রনেতা আজমগীর। যথাক্রমে সহ সভাপতি হলেন, অফিসার ইনচার্জ, ঈদগাঁও থানা (পদাধিকার বলে), চেয়ারম্যান আলমগীর তাজ জনি,আবুল কালাম,আবদুল মজিদ খাঁন, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ করিম, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম,কামাল হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ আবদুস সালাম।নির্বাহী সদস্যবৃন্দরা হলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফি সার,উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা,উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (৫ জন পদাধিকার বলে)।আহমদ কবির,বেলাল উদ্দিন, মো: আবু হেনা, ফারুক আহমদ, মিজানুর রহমান, জুবাইরুল ইসলাম জুয়েল,সোহেল রানা ও আবদু রহমান। সংরক্ষিত থেকে তসলিমা আক্তার ও সেলিনা আক্তার।এদিকে ঈদগাঁও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ক্রীড়া সংস্থার নতুন কমিটিতে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ায় প্রকৃত ক্রীড়া সংগঠক, সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়াক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রাখা ব্যক্তিদের অনেকে উপেক্ষিত হয়েছেন স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের দাবি, ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে ক্রীড়াক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, অবদান ও সাংগঠনিক যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। একাধিক ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ক্রীড়া সংস্থায় খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হওয়া উচিত। এদিকে কমিটি গঠন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা। একসময়ের সাবেক কৃতি ফুটবলার হারুন দাদা এফবিতে আক্ষেপ করে লিখেন, কোন কমিটিতে হারুন নামটা দেখলে ওরা এত ভয় পাই কেন। তাহলে আমি বিএনপি নাইবা করি। ফ্যাক্ট: ক্রীড়া কমিটি? ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা স্বচ্ছ,নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় কমিটি পুনর্বিবেচনা করে প্রকৃত ক্রীড়া সংগঠক, খেলোয়াড়,সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানান।
