খুলনা, বাংলাদেশ | ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

ঈদগাঁওতে প্রযুক্তির দাপটে অস্তিত্বহীন জনপ্রিয় গ্রামীণ খেলাধুলা

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

ঈদগাঁওতে গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে জনপ্রিয় গ্রামীণ খেলাধুলা। খেলাধুলার মধ্যে রয়েছে- কানামাছি, দাঁড়িয়াবান্ধা, ডাংগুটি, ঘোড়া দৌড়, গোল্লাছুট, চারগুটি, মোরগ যুদ্ধ ও হাডুডু। গ্রামে আগের মতো চোখে পড়েনা ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতাও। ফুটবল আর ক্রিকেট খেলা চোখে পড়ে।স্থানীয় প্রবীণ মুরুব্বীরা জানান, আধুনিকতার ছোঁয়া ও প্রযুক্তির ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে জনপ্রিয় গ্রামীণ খেলাধুলা। সময়ের বিবর্তনে মাঠ, বিল-ঝিলের খালি জায়গা থেকে প্রতিনিয়ত হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা । একটা সময় ছিল গ্রামে শিশু ও যুবকরা পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন খেলাধুলায় অভ্যস্থ ছিল। অবসরে দলবেঁধে খেলতো নানান খেলা। বাড়ির উঠান থেকে শুরু করে রাস্তার আনাচে-কানাচে, খোলা মাঠে কম পরিসরে খেলা যেত। বর্তমান সময়ে ছেলে মেয়েরা কিন্তু মোবাইলে আসক্ত।জানা যায়, বর্তমান যুগে গ্রামীন পরিবেশে বেড়ে উঠা শিশু-কিশোরসহ যুবকরা বাড়ীঘর, দোকানপাঠ বা নির্জন কোন স্থানে বসে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ভিডিও গেম,কার্টুন নিয়ে সময় পার করে। যার ফলে মেধার বিকাশ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। একসময় গ্রামবাংলার ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা ও বয়স্ক ব্যক্তিরা তাদের নানান কর্মব্যস্ততার ফাঁকে হরেক ধরনের খেলায় সময় কাটাতেন। তৎমধ্যে কানামাছি, দাঁড়িয়াবান্ধা, ডাংগুটি, ঘোড়া দৌড়, ফুটবল, কানামাছি, গোল্লাছুট, চারগুটি, দীর্ঘলাফ, মোরগ যুদ্ধ, হাডুডু খেলা ছিল অন্যতম, বিনোদনমূলক, স্বাস্থ্য সচেতনমূলক এবং প্রতিভা বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। প্রযুক্তির দাপটে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীণ খেলাধুলা বিলুপ্ত হয়ে অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খেলার মাঠের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে, গ্রামের মানুষ বেকারত্বের ফলে প্রতিনিয়ত শহরমুখী হতে হচ্ছে। শিশুদের মোবাইল ব্যবহারে প্রবনতা বাড়ছে। বর্তমান প্রজন্মের তরুনদের মোবাইল আসক্তি কমাতে হলে, গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়াতে হবে।শিশু-শিশোরদের অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তির ফলে তারা একটা সময় গিয়ে একগুয়েমি বা মেজাজী স্বভাবের হয়ে উঠে। মোবাইলে নানাজাতের গেমের কারনে আরও বেশি খারাপ দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিশোর গ্যাং, শিশু অপরাধ সবই যেন মোবাইল আসক্তির ফল। যদি তাদের মোবাইল আসক্তি থেকে দুরে রাখতে হয়, তাহলে গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT