খুলনা, বাংলাদেশ | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ

খুলনা কারাগার থেকে পালানোর ৪ ঘন্টার মধ্যে ই ফের আটক ইমন মাঝি

[ccfic]

ডেস্ক :

খুলনার পুরাতন জেলা কারাগার থেকে দেয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়া হাজতি ইমন মাঝিকে (৩২) পালানোর মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই যৌথ অভিযানে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত সোয়া ৮টার দিকে খুলনা মহানগরের লবণচরা থানার সাচিবুনিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। লবণচরা থানা পুলিশ ও জেলা কারাগারের পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে।লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাত সোয়া ৮টার দিকে সাচিবুনিয়া এলাকায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে পলাতক হাজতি ইমন মাঝিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুনরায় খুলনা জেলা কারাগারে নেওয়া হচ্ছে।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনার সদর থানাধীন পুরাতন জেলা কারাগার থেকে দেয়াল টপকে পালিয়ে যান ইমন মাঝি। ঘটনার পরপরই কারাগারে জরুরি সতর্কসংকেত হিসেবে পাগলা ঘণ্টা বাজানো হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।কারাগার সূত্রে জানা যায়, ইমন মাঝির হাজতি নম্বর ১৬০৭/২৬। তিনি আব্দুল মাঝির ছেলে এবং একটি মামলায় বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে ছিলেন। প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, তিনি কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আবু সায়েম জানান, একজন হাজতি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করা হয়। একই সঙ্গে কীভাবে তিনি কারাগার থেকে পালাতে সক্ষম হলেন, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।হাজতির পালিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কারাগার কর্তৃপক্ষ, খুলনা সদর থানা পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি ও অভিযান শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাচিবুনিয়া এলাকা থেকে তাকে পুনরায় আটক করা হয়।এদিকে, কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো গাফিলতি বা ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঘটনার সঙ্গে কোনো অবহেলা বা দায়িত্বে গাফিলতির প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT