খুলনা, বাংলাদেশ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  কেশবপুরে জলাবদ্ধতায় পাকা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা
  কেশবপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি, সিটের অভাবে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বারান্দায়
  ১২ মে থেকে ঈদ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা
  শজনের বীজ ট্যাপের পানি থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকও দূর করতে পারে?
  মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
  লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
  সেনাবাহিনীকে অনির্দিষ্টকাল মাঠে রাখতে চায় না সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  সাংবাদিক হওয়ার নীতিমালা চান ডিসিরা : ডা. জাহেদ উর রহমান
  কয়রায় বনদস্যু গুমের মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন:
  খুলনার ৪৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরি নিশ্চিত.

কেশবপুরে জলাবদ্ধতায় পাকা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা

[ccfic]

পরেশ দেবনাথ বিশেষ প্রতিনিধি:

কেশবপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাঠে থাকা পাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।টানা বৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে, শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকদের অতিরিক্ত মজুরির কারণে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে গেছে। এতে করে ধান উৎপাদনের খরচ উঠবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেক কৃষক অভিযোগ করেছেন, সারা বছর কঠোর পরিশ্রম করে ধান ফলালেও এখন জলাবদ্ধতার কারণে ফসল ঘরে তুলতে না পারায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার পাঁজিয়া, বেলকাটি, গড়ভাঙ্গা, নতুহাট, নুড়িতলা, নেপাকাটি, সুফলাকাটিসহ উপজেলার বিভিন্ন বিলে বিস্তীর্ণ ধানক্ষেতে পানি জমে আছে। সেই পানির মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে কৃষকরা পাকা ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ দ্রুত ধান কেটে উঁচু স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করলেও বৃষ্টি ও কাদা জমে থাকায় কাজ বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। বেলকাটি চাত্তার বিলের কৃষক আব্দুল আজিজ বলেন, ধান পুরোপুরি পেকে গেছে, কিন্তু পানি নামছে না। এখন কাটতে না পারলে আমাদের বড় ক্ষতি হবে। ধারদেনা করে চাষ করেছি, কীভাবে সেই টাকা উঠবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব ধান ইতোমধ্যে পেকে গেছে, সেগুলো দ্রুত কেটে ঘরে তুলে নেওয়ার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আসন্ন দিনগুলোতে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় আরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পাকা ধানক্ষেত থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে, যাতে কৃষকের সম্ভাব্য ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়।
কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় পাকা ধানের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমরা কৃষকদের দ্রুত পাকা ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ কয়েকদিন ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT