
নিজেস্ব প্রতিনিধি মাহিয়া আক্তার:স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হওয়া কিংবা না হওয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত সংসদে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।মন্ত্রী বলেন, ‘যেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে। পৌরসভায় রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে নির্বাচনই মূল লক্ষ্য, সেদিকেই যাওয়া হবে।তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণ সেবা বেশি এবং ভালোভাবে পাবে বলে মনে করছি। সেকারণেই তাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে। স্থানীয় সরকার সচল না হলে মানুষ সেবা পাবে না, তাই সচল করা খুবই প্রয়োজন বলে জানান মির্জা ফখরুল।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহেআলম বলেন, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও অভিজ্ঞদের প্রশাসক হিসেবে যারা নিয়োগ পেয়েছেন তারা ভালো করবেন বলে বিশ্বাস করি।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, স্থানীয় সরকার ইনঅ্যকটিভ থাকলে, কেন্দ্রীয় সরকার ভালোভাবে ফাংশন করতে পারে না এবং জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। জনগণের অভাব অভিযোগ সমাধানে কাজ করবো। প্রধানমন্ত্রী যে আস্থা রেখেছেন তার প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করছি। দলের আস্থা অর্জন করেছি, এখন কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করে নির্বাচনে যাবো। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মশার সমস্যা সমাধানে কাজ করবো। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুন বলেন, নগরবাসীকে সুন্দর স্বস্তিদায়ক সার্ভিস দেয়া দায়িত্ব। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবো। জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের সমস্যা সমাধানে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, সে নির্দেশ পালন করবো।সিলেট সিটি করপোরেশন প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সুপেয় পানি, রাস্তাঘাট মেরামত, যানজট সমস্যা সমাধান করা অগ্রাধিকার। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেবো। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার বলেন, ক্লিন ও গ্রিন সিটি গড়তে কাজ করবো। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে স্টাইলে চলছেন, সেটা অনুসরণ করার চেষ্টা করবো। নারায়ণগঞ্জে রাস্তাঘাট ভাঙা, ঢাকার চেয়েও বেশি যানজট। প্রথম অগ্রাধিকার ভাঙা রাস্তাঘাট মেরামত, হকার ও অটোরিকশার সমস্যা সমাধানে কাজ করবো। ৫০ থেকে ৬০ দিনের একটি কর্মসূচি নিয়ে এ সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করবো।
