খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  এইচএসসিতে সবচেয়ে বেশি ফেল ইংরেজি ও আইসিটিতে
  একসঙ্গে খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে প্রত্যাহার
  রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
  বিকল্প অর্থায়নে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ বাংলাদেশ
  খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আশিক গ্রুপের দুই অস্ত্রধারী গ্রেফতার
  তুরাগ নদে ভাসছিল বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ
  তুরাগ নদে ভাসছিল বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ
  খুলনায় নারীকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা
  শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানালেন দাকোপের শিক্ষক ও সংস্কৃতি কর্মী দেবব্রত সরদার
  খুলনায় যুবককে গুলি করে মোবাইল ফোন ছিনতাই

৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সাফল্য: এক মাসে ৫০টি মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণার ২০ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীনের নির্দেশনায় সাইবার অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা

[ccfic]

নিজস্ব প্রতিবেদক:- খুলনায় ৩ এপিবিএনের (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অভিযানে অক্টোবর ২০২৬ মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার ২০ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধের একটি মামলায় তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে ইউনিটটি।৩ এপিবিএন, খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব এম. এম. সালাহউদ্দীনের নির্দেশনায় গঠিত অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট নিয়ন্ত্রণাধীন কর্ম এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে।অধিনায়ক মহোদয়ের সুনিপুণ দিকনির্দেশনায় এবং সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার জনাব জি. এম. আবুল কালাম আজাদ (পিপিএম), পুলিশ সুপার জনাব রামানন্দ সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব ইয়াসিন আলী ও সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মো. আলী নওয়াজের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সাইবার ক্রাইম ইউনিটটি এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।ইউনিট সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন থানায় হারানো মোবাইল ফোনের বিষয়ে দায়ের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অক্টোবর মাসে মোট ৫০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ২০ হাজার ৩০০ টাকাও উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরবর্তী সময়ে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় দায়ের করা মামলা নং-১৪, তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০২৬, সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২২ ও ২৭ ধারার মামলায় তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।হারানো মোবাইল ফোন ও বিকাশ প্রতারণার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তরকালে ৩ এপিবিএন, খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব এম. এম. সালাহউদ্দীন বলেন, “জনসাধারণের ইতিবাচক সাড়া পেলে আমরা আরও অধিকসংখ্যক ভুক্তভোগীকে আইনি সেবা প্রদান করতে পারব।”সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, অনলাইন প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা এবং হারানো সম্পদ উদ্ধারে ৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এ কার্যক্রম জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পুলিশের প্রতি আস্থা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT