
এম মুরশীদ আলী :
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে এক আলোচনা সভা গত ৯ জুন সকাল সাড়ে নয়টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা ওসি আব্দুর রাজ্জাক মীর।আলোচনা সভায় একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, রূপসা জামায়াত ইসলামী আমির মাওলানা লবিবুল ইসলাম, রূপসা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহ, প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী, শিক্ষক শক্তিপদ বসু, বিআরডিবি অফিসের মাঠকর্মী কৃষ্ণ গোপাল সেন প্রমুখ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন- যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. বজলুর রশীদ, ইউআরসি ইনসট্রাক্টর এহতেশামুল হক, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন, নৈহাটি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিয়াউল হক বিশ্বাস, ঘাটভোগ ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, প্রভাষক সুদীপ্ত মহলী, জামায়াত নেতা হাফেজ জাহাঙ্গীর ফকির, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম, শিক্ষক কমল চন্দ্র সানা ও শিক্ষক রাজীব মহলী প্রমুখ।বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অমর কণ্ঠস্বর। তাঁর সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামকে অনুপ্রাণিত করেছে। বিশেষ করে “বিদ্রোহী” কবিতা শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।তারা আরও বলেন, নজরুল শুধু কবি নন, তিনি একটি চেতনার নাম। তাঁর লেখনী ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে মানবতার জয়গান গেয়েছে। বর্তমান প্রজন্মের মাঝে তাঁর আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নজরুল চর্চা বৃদ্ধি, তাঁর সাহিত্য পাঠ্যসূচিতে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সৃষ্টি আরও বেশি উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। সবশেষে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নজরুলের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে ন্যায়, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে।
