খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ৩৯ ঘণ্টায় দেশে তিনবার ভূমিকম্প
  গণহত্যার আসামিদের জামিন ও আ. লীগ কার্যালয় খোলার প্রতিবাদ জামায়াতের
  গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী
  জানা গেল প্রধানমন্ত্রী কবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন
  আইভী-বদিসহ জুলাই গণহত্যার আসামিদের জামিন, তীব্র প্রতিক্রিয়া জামায়াতের
  আজকের ভূমিকম্পের মাত্রা কত?
  রাজধানীসহ সারা দেশে ভূমিকম্প অনুভূত
  সাতক্ষীরার শ্রেষ্ট সহকারী পুলিশ সুপার হলেন মোহাম্মদ নুরুল্লাহ।
  পাইকগাছা পৌরসভা বাজার পরিদর্শন ও মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন
  কেশবপুরে গোয়ালঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মারা গেল দুই গরু, গৃহবধূ আশঙ্কাজনক

খেয়াঘাটে জীবন ঝুঁকিতে- ব্রীজের দাবি এখন সাধারণ মানুষের শেষ আশা”

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম- স্টাফ রিপোর্টার//তেরখাদা-রূপসা সংযোগে ব্রীজ নেই -৫০ বছর ধরে ভোগান্তি, আজিজুল বারী হেলালের নিকট এলাকা বাসীর শেষ আশা।উল্লেখ্য “খুলনা জেলার তেরখাদা ও রূপসা উপজেলার মধ্যবর্তী আঠারোবেকী নদীর উপর অবস্থিত শিয়ালী- শেখপুরা খেয়াঘাট -যা এলাকার মানুষের জন্য একমাত্র যাতায়াতের পথ। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, ছাত্র/ ছাত্রী, রোগী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সরকারি কর্মচারী যাতায়াত করেন।কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আজ অবধি -এই ঘাটে কোনো স্থায়ী ব্রীজ নির্মাণ হয়নি। যেটা এই এলাকার মানুষের জন্য দুর্ভোগ।এটা শুধু একটা ঘাট নয়-এটা এলাকার জীবনরেখা। কিন্তু সেই জীবনরেখা কেটে গেছে বহুবার-ঝড়ে, বন্যায়,এমনকি শীতে। উল্লেখ্য নিউজের-ভোগান্তির বিবরণ_সাংবাদিক মোল্লা জাহাঙ্গীর আলমের এ রিপোর্ট। তেরখাদা ও রূপসা উপজেলার শতাধিক স্কুল ও কলেজের ছাত্র /ছাত্রীরা প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে খুলনা শহরে পড়তে যায়।শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি-খেয়া বন্ধ হলে ছাত্রদের ১০–১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়- ফলে ক্লাসে দেরি হয়,এমনকি পরীক্ষায় অনুপস্থিত হতে হয়।যেমন -অতীতে-এক ছাত্র ঝড়ের সময় খেয়ায় পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে এছাড়াও অনেক ছাত্র /ছাত্রী খেয়া থেকে পড়ে গিয়ে পায়ে আঘাত পায়। তবুও ব্রীজ হয়নি।এছাড়াও- রূপসা ও তেরখাদার মানুষ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। প্রসূতি মায়েরা, জরুরি রোগীরা খেয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়।বহুদিন আগে এক প্রসূতি মা খেয়া ডুবে আহত হন।কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ বিষয় এলাকার এক ডাক্তার বলেন. আমি নিজে দেখেছি, একজন রোগীকে খেয়ায় তুলে দিয়েছি- কিন্তু নদীর মাঝে খেয়া ডুবে যায়।অন্য দিকে-স্থানীয় কৃষকরা ফসল নিয়ে খুলনা শহরে বিক্রি করতে যান। খেয়া বন্ধ হলে পণ্য নষ্ট হয়, ব্যবসা বন্ধ হয়। এতে এলাকার অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে-কারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন., আমি ২০২২ সালে ৫০ হাজার টাকা লোকসান দিয়েছি -কারণ খেয়া বন্ধ ছিল।এছাড়াও- বর্ষাকালে নদী ফেঁপে ওঠে- শীতকালে নদী শুকায় -ঝড়ের সময় খেয়া ডুবে যায়- মানুষ আটকে পড়ে।এলাকাবাসীর দাবি. আজিজুল বারী হেলাল ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তিনি আমাদের শেষ আশা। আমরা চাই, তিনি এই দাবি মন্ত্রণালয়ে পাঠান এবং ব্রিজ নির্মাণের জন্য বাজেট বরাদ্দ করেন।এলাকার নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ একসাথে এ দাবি জানাচ্ছেন।শিয়ালী-শেখপুরা খেয়াঘাটে ব্রিজ না হওয়ায় এলাকা বাসী দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে-বিশেষ করে তেরখাদা, রূপসা, মোল্লাহাট, ফকিরহাট ও গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য এটি প্রাণের দাবি। আঠারোবেকী নদীর উপর ব্রীজ হলে যাতায়াত সহজ হবে, দুর্ঘটনা কমবে এবং শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও রোগীরা নিরাপদে খুলনা শহরে পৌঁছাতে পারবেন।সম্প্রতি খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী নিজ অর্থায়নে এই ঘাট নির্মাণ ও ভাসমান ফেরি বসিয়ে ছিলেন, কিন্তু ব্রীজের দাবি এখনও পূরণ হয়নি।২০২৬ সালে নতুন সরকার গঠন করেছেন- জনাব তারেক রহমান। খুলনা-৪ আসনের বর্তমান – সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল।তিনি এলাকার উন্নয়নের জন্য দায়িত্বশীল।তিনি চাইলে ব্রীজের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পৌঁছানো সহজ।ইতিমধ্যে-রূপসা রেলসেতু ও খান জাহান আলী সেতু খুলনায় আছে -তাই শিয়ালী-শেখপুরাতে ব্রীজের সম্ভাবনা ও আছে।জাতীয় নির্বাচনের আগে -খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল তিনি এলাকায় এসে ঘাট পরিদর্শন করেছেন এবং এলাকাবাসীর দাবি শুনেছেন।প্রতিক্রিয়া “তেরখাদা উপজেলার আজগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি সাবেক সদস্য এসকেন শেখ বলেন -আজিজুল বারী হেলাল “ভাই ” ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তিনি আমাদের শেষ আশা। আমরা চাই, তিনি এই দাবি মন্ত্রণালয়ে পাঠান এবং ব্রিজ নির্মাণের জন্য বাজেট বরাদ্দ করেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT