খুলনা, বাংলাদেশ | ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  মেহেরঘোনা ও ঈদগাঁও রেঞ্জের যৌথ অভিযান : ৮১ ঘনফুট সেগুন কাঠ উদ্ধার 
  খুলনার শিপইয়ার্ডে অস্ত্রসহ আশিক বাহিনীর শুটার জনি গ্রেফতার
  বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে
  নগরীতে দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবকের মৃত্যু
  এইচএসসিতে সবচেয়ে বেশি ফেল ইংরেজি ও আইসিটিতে
  একসঙ্গে খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে প্রত্যাহার
  রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
  বিকল্প অর্থায়নে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ বাংলাদেশ
  খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আশিক গ্রুপের দুই অস্ত্রধারী গ্রেফতার
  তুরাগ নদে ভাসছিল বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ

শেকড়ের টানে গ্রামে ফিরে উন্নয়নের কারিগর ড. এস কে বাকারশিক্ষা, চিকিৎসা, অবকাঠামো ও মানবসেবায় অনন্য অবদান—ধামালিয়ার মানুষের কাছে এক আলোকিত নাম

[ccfic]

জি,এম,ফিরোজ, ডুমুরিয়া:- ধামালিয়ার তালপাতার পাঠশালা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে পিএইচডি—এরপর শেকড়ের টানে নিজ এলাকায় ফিরে মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ। ড. শামসুল করিম বাকার, যিনি ড. এস কে বাকার নামে পরিচিত, তাঁর জীবন যেন শিক্ষা, সাফল্য ও মানবসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।১৯৮১ সালে বায়োফার্মাসিউটিক্সে পিএইচডি অর্জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কলগেট-পামোলিভে দীর্ঘ ১১ বছর গবেষণার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি। কর্মজীবনে যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক পেটেন্টের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডিতে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করাই হয়ে ওঠে তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।স্থানীয় শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ড. এস কে বাকার কলেজ, ফারাহ বাকার হাইস্কুল ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা, ক্লিনিক, মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা অবকাঠামো নির্মাণেই নয়, এলাকার বাজার উন্নয়ন, অসহায় মানুষের ঘর নির্মাণে সহায়তা, দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর ভূমিকার কথা স্থানীয়রা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। শিক্ষা থেকে মানবিক সহায়তা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর উদ্যোগ এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।ড. এস কে বাকার একবার বলেছিলেন, “বাংলাদেশ আমাকে প্রায় বিনা খরচে শিক্ষা দিয়েছে… আমি তার বহুগুণ ফিরিয়ে দিয়েছি।” তাঁর এই বক্তব্যের মধ্যেই ফুটে ওঠে দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার দর্শন।একজন মানুষের প্রকৃত সাফল্য শুধু উচ্চশিক্ষা, ডিগ্রি কিংবা পেশাগত অর্জনে সীমাবদ্ধ নয়; নিজের অর্জনকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর মধ্যেই তার সার্থকতা। ড. এস কে বাকার সেই আদর্শেরই এক উজ্জ্বল উদাহরণ। ধামালিয়াসহ ডুমুরিয়া অঞ্চলের শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবসেবায় তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT