
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
ডাকাতি বন্ধে পাহাড়ী জনপদ ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে সেনা বা বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনের দাবী লোকজনের।সড়কটিতে জন্মলগ্ন থেকে ডাকাতি,অপহরণসহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ঘটে চলছে। সকাল, সন্ধ্যা বা রাতে যখন তখন ডাকাত চক্ররা সড়কে চলাচল রত যাত্রীদের আটকিয়ে সবকিছু লুটে নিচ্ছে, মারধর করে যাচ্ছেজানা যায়, রামু উপজেলার ঈদগড় ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লার লোকজন প্রয়োজনীয় কাজকর্মে ঈদগাঁও বাজারে এসে থাকে। পাশাপাশি বহু ব্যবসায়ী তাদের খাদ্যসামগ্রী মালামাল নিয়ে আসা যাওয়াও করে থাকেন প্রায় প্রতিদিন। দীর্ঘদিন ডাকাতি বন্ধ থাকার পর আবারো মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে চক্ররা। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) সড়কের হিমছড়ি ঢালায় দুই দফায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রথম দফায় সকালে, পরে একই স্থানে দুপুর আড়াইটার দিকে দ্বিতীয় দফায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। একই স্থানে একই দিনে দ্বিতীয় দফায় ডাকাতির ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় সড়কটি দিয়ে চলাচল কারী যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে পরপর এমন ঘটনা খবর সড়কটির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। ডাকাতে কবলে পড়ে মোবাইলসহ সবর্স্ব হারান লোকজনরা।২০ অক্টোবর ( মঙ্গলবার) দুপুর ১টা থেকে ৩টা পযন্ত তিনঘণ্টা ব্যাপী পাহাড়ে অভিযান চালানো হয়েছে। এসময় ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম শিফাতুল মাজদা’রসহ পুলিশ এবং যুবদলের একটি টিম ছিল বলে জানিয়েছেন যুবনেতা কামাল। ডাকাতি প্রতিরোধে ঈদগড় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় একসময়ে সভা,সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছিলেন এলাকার লোকজন। ডাকাতের কবলে পড়ে ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে লোকজন সর্বস্ব হারাচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ ঢালাগুলোতে সেনা বা বিজিবি ক্যাম্প স্থাপন এখন সময়ের গণদাবীতে পরিণত হয়ে পড়েছে।এমনকি উক্ত সড়কের পুরুষ ও মহিলা যাত্রীদেরকে প্রতিক্ষনে, প্রতিমুহূর্তে আতংক মাথায় নিয়ে দৈনিক চলাফেরা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা হলে নেমে আসে জনজীবনে চরম আতংক।এভাবেআরকতদিন,কতকাল আতংক নিয়ে কাটতে হবে, এমন প্রশ্নে ঘোরপাক খাচ্ছে সচেতন এলাকাবাসীর মাঝে। জালালাবাদের ইউপি সদস্য ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামাল হোসাইন জানান, ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতি বন্ধ ও আতংক মুক্ত রাখতে হলে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে অস্থায়ী /স্থায়ী সেনা বা বিজিবি ক্যাম্প স্থাপন ছাড়া বিকল্প উপায় নেই। শিক্ষক সাজেদ সুলতান জানান, পাহাড়ী এলাকা ঈদগাঁও -ঈদগড় সড়কে ডাকাতি বন্ধ করতে হলে সেনা কিংবা বিজিবির স্থায়ী ক্যাম্প অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সচেতন যুবক জাহেদুল ইসলাম জানান, ডাকাতি বন্ধ ও এলাকা বাসীকে আতংক মুক্ত রাখতে হলে সেনা বা বিজিবি ক্যাম্প ছাড়া সম্ভব নয়।
