খুলনা, বাংলাদেশ | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম

ঈদগাঁওর ফাস্টফুড দোকানে জন্মদিন কেকের চড়া দামে বিপাকে ক্রেতারা 

[ccfic]

নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও 

জন্মদিন বা কোন শুভ কাজের সূচনা পর্বে কেক এক নতুন মাত্রা এনে দেয়। ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও বাজার ও স্টেশন এলাকায় ফাস্ট ফুড দোকানগুলোতে কেকের চড়া দাম নিয়ে বিপাকে পড়েন ক্রেতারা।জানা যায়, সাধারণ ভ্যানিলা ও চকলেট সুস্বাদু কেক ব্যবহার করা হয় জম্মদিন,কোন কিছু শুভ উদ্বোধন ও বিয়ের মেহেদী উৎসবে। নিত্যদিনেই এসব কেক বাড়ীর লোকজন খেতে অভ্যাস্ত নয়।সাদা ও ক্ষীম কালারের জন্মদিনের কেকের দাম বেশি হওয়ায় হতাশ নারী-পুরুষরা।৮ই আগষ্ট (শনিবার) ঈদগাঁওয়ের ফাস্ট ফুডের দোকান ঘুরে জানা যায়, একেক দোকানে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি করছেন এসব কেক। মান আর স্বাদের ভিন্নতার কথাও জানালেন বিক্রেতারা।মধুবনে এক পাউন্ড কেক বিক্রি করেন ৫৩০,মিষ্টিবনে ৫০০,স্বাদ ৫৮০, টেষ্টি টেস্ট ৬৫০, ফুলকলি ৫০০,বনফুল ৬০০ টাকায় বিক্রি করে যাচ্ছেন। কয়জন বিক্রেতা জানান, কোম্পানীর খাদ্য পন্য গুলো একদামে বিক্রি করা হয়। কম দাম নেওয়ার সুযোগ নেই। তারা স্ব স্ব দোকানের কেকের স্বাদের কথাও জানান। স্থানীয় পযার্য়ের তৈরীকৃত কেকের দাম মোটামুটি বললেই চলে। পাউন্ড প্রতি ৩০০/ ৩৫০ টাকায় পাওয়া যায়। ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লার নারী-পুরুষরা বাড়তি আয়ে লক্ষে সুস্বাদু কেক তৈরী করেন অর্ডার ভিত্তিক। এমনকি তাদের বানানো কেকগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের দৃশ্যও চোখে পড়ে। মিষ্টিবনের ছৈয়দ আলী জানান, ব্র্যান্ড ফাস্টফুড দোকানগুলোর কেকের দাম ভিন্নতা হবে এটি স্বাভাবিক। স্থানীয়ভাবে তৈরীকৃত কেকের দাম একটু কম। স্বাদের ক্ষেত্রেই দুইটিতেই ভিন্নতা।ঘরোয়া পযার্য়ে অর্ডার ভিত্তিক কেক তৈরী করার কথাও জানালেন মতি নামের এক ব্যবসায়ী। আরেক নারী জানান,বাড়তি আয়ের লক্ষে ঘরে বসে উৎসবের কেক তৈরী করা হয়। দৈনিক দুই বা তিনটির মতো অর্ডার পড়ে। সময়ের অভাবে বেশি অর্ডার নেওয়া সম্ভব হয়না।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT