খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ধারাবাহিক সাফল্য

[ccfic]

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধিঃ

প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে ৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৩ এপিবিএন), খুলনার অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট। জুলাই ২০২৬ মাসে ইউনিটটি দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১০টি হারানো মোবাইল ফোন, বিকাশ প্রতারণার ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার এবং একজন সাইবার প্রতারককে গ্রেফতার করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।৩ এপিবিএন, খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীনের নির্দেশনায় গঠিত অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট নিয়মিতভাবে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, হারানো মোবাইল ফোন শনাক্ত ও উদ্ধার এবং ফেসবুক ও অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা দমনে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার, দক্ষ তদন্ত এবং আন্তঃজেলা সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউনিটটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।অধিনায়কের সার্বিক দিকনির্দেশনায় সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার জি. এম. আবুল কালাম আজাদ (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আলী এবং সহকারী পুলিশ সুপার মো. আলী নওয়াজের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে দেশের বিভিন্ন থানায় হারানো মোবাইল সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি)-এর ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে বিকাশ প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীদের ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।এছাড়া সাইবার প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে একজন সাইবার প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন, ৬টি সিম কার্ড এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে ৩ এপিবিএন, খুলনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশ প্রতারণার উদ্ধারকৃত অর্থ প্রকৃত মালিকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।এ সময় অধিনায়ক বলেন, “৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমন এবং জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনসাধারণের ইতিবাচক সহযোগিতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে আরও অধিক ভুক্তভোগীকে দ্রুত আইনি সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, অনলাইন প্রতারণা দমন এবং হারানো সম্পদ উদ্ধারে ৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিট ভবিষ্যতেও একই পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT