খুলনা, বাংলাদেশ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  দীর্ঘ এক যুগেও মেলেনি মুক্তি: লবণচরা শিপইয়ার্ড রোডের বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরমে
  ঈদগাঁওতে জাতীয় ফল কাঁঠালের ভাল ফলন, স্থানীয়দের মাঝে হাসি 
  চাচা-ভাতিজার সংঘর্ষে ইটের আঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু
  দিনাজপুর বোচাগঞ্জে সাবেক স্ত্রীর হাতে স্বামী খু’ন পায়ের রগ কেটে নির্মম হ’ত্যাকাণ্ড
  মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ সেবা চালু 
  খুলনার ফুলতলায় ৭পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ৪ আসামি আদালতে প্রেরণ
  খুলনার কয়রা ত্রাণের টাকা পেলেন জামায়াত এমপির এপিএস, আত্মীয়স্বজন
  মুঠোফোনে আসক্ত ঈদগাঁওর তরুন-যুব প্রজন্ম, অনলাইনে ঝুঁকছে
  আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, রায়ের অপেক্ষায় আরও ৩ মামলা
  দ্রুতই খুলবে ক্রিসেন্ট-পিপলস মিলের মধ্যবর্তী বন্ধ সড়ক : হেলাল

মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ সেবা চালু 

[ccfic]

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। রবিবার( ১৪ জুন) সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সেবার উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী শাখাওয়াত হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-০২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. শরিফুল আবেদীন কমল, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অখিল সরকারসহ স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫০ শয্যার এই হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। একই সময়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে আইসিইউসহ আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামও সংযোজন করা হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করা হলেও দীর্ঘ সময় ধরে তা কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে ছিল। ফলে সংকটাপন্ন রোগীদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কিংবা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হতো, এতে ভোগান্তিতে পড়তেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। আইসিইউ চালুর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের আন্দোলন ও গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে এবং পুনরায় সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে হামসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীদের চিকিৎসায় আইসিইউ সেবা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রোগীর জন্যও এই সেবা উন্মুক্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও বর্তমানে সীমিত জনবল দিয়ে ১০০ শয্যার মতো কার্যক্রম চলছে, যা কাঠামোগতভাবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিষয়টি জাতীয় সংসদেও উত্থাপন করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ জনবল ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।আইসিইউ সেবা চালু হওয়ায় জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT