খুলনা, বাংলাদেশ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  দীর্ঘ এক যুগেও মেলেনি মুক্তি: লবণচরা শিপইয়ার্ড রোডের বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরমে
  ঈদগাঁওতে জাতীয় ফল কাঁঠালের ভাল ফলন, স্থানীয়দের মাঝে হাসি 
  চাচা-ভাতিজার সংঘর্ষে ইটের আঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু
  দিনাজপুর বোচাগঞ্জে সাবেক স্ত্রীর হাতে স্বামী খু’ন পায়ের রগ কেটে নির্মম হ’ত্যাকাণ্ড
  মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ সেবা চালু 
  খুলনার ফুলতলায় ৭পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ৪ আসামি আদালতে প্রেরণ
  খুলনার কয়রা ত্রাণের টাকা পেলেন জামায়াত এমপির এপিএস, আত্মীয়স্বজন
  মুঠোফোনে আসক্ত ঈদগাঁওর তরুন-যুব প্রজন্ম, অনলাইনে ঝুঁকছে
  আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, রায়ের অপেক্ষায় আরও ৩ মামলা
  দ্রুতই খুলবে ক্রিসেন্ট-পিপলস মিলের মধ্যবর্তী বন্ধ সড়ক : হেলাল

রিকশা চালক নকির চরম অসহায় 

[ccfic]

 রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর এলাকায় দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এক পা ও এক হাত প্যারালাইসিস হয়ে বিছানায় শুয়ে দিনযাপন করছেন ৭৫ বছর বয়সী রিকশাচালক নকির। জীবনের প্রায় ৫০ বছর রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন। মানুষ করেছেন দুই সন্তানকে। অথচ বার্ধক্য ও অসুস্থতার এই সময়ে একটি হুইলচেয়ারের অভাবে চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দি হয়ে পড়েছেন তিনি। আর প্রশ্ন করছেন রাজশাহীতে কি কেউ নেই যে তাকে একটা হুইল চেয়ার কিনে দিবে?স্থানীয়রা বলেন, নকির ও তার স্ত্রী হাসনা বানু প্রায় ৩০ বছর ধরে অন্যের জায়গায় একটি ছোট ঘরে বসবাস করছেন। বয়সের ভার ও অসুস্থতার কারণে নকির এখন পুরোপুরি কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। ফলে সংসারের একমাত্র ভরসা তার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছেন। এক বেলা খেয়ে না খেয়ে স্বামীর ওষুধের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন স্ত্রী। স্থানীয়দের দাবি, একটি হুইলচেয়ার পেলে অন্তত বিছানাবন্দি জীবন থেকে কিছুটা মুক্তি পেতেন নকির। পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা পেলে পরিবারটি বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো খুঁজে পাবে।হাসনা বানু জানান, দুই সন্তান আলাদা সংসার নিয়ে বসবাস করেন। স্বল্প আয়ের কারণে তারা নিয়মিতভাবে বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে পারেন না। একটি হুইলচেয়ারের জন্য অনেকের কাছে গেছেন। অনেককে বলেছেন। কিন্তু কেউ সহযোগিতার হাত বাড়াননি।তিনি মানুষের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মাসে প্রায় চার হাজার টাকা আয় করেন। সেই টাকার বেশির ভাগই স্বামীর ওষুধ কিনতে ব্যয় হয়ে যায়। বাকি টাকায় কোনোমতে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তার দাবি স্বামীর জন্য কেউ একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিবেন। সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে, নকির কিছুটা বেচে থাকার জন্য আশার আলো দেখতে পারেন ।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT