খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কেশবপুরে কচুরিপানা নিধনে অর্থ সহায়তা  দিলেন এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলী

[ccfic]

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি :

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ৮নং সুফলাকাটি ইউনিয়নের বিল খুকশিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েকটি গ্রামের কৃষক, ঘের মালিক ও সাধারণ মানুষ। খাল ও বিলজুড়ে কচুরিপানার বিস্তৃতি, পানি নিষ্কাশনের অচলাবস্থা এবং নৌপথে চলাচলের সংকট স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবে কচুরিপানা নিধনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী।বুধবার (২০ মে-২৬) বিকেলে সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিল খুকশিয়া ও কানায়ডাঙ্গা ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রম উদ্বোধন এবং কচুরিপানা নিধনে ওষুধ স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, বিল খুকশিয়ায় প্রবেশের প্রধান পথ কানায়ডাঙ্গা ঘাট বর্তমানে প্রায় সম্পূর্ণ কচুরিপানায় ঢেকে গেছে। ফলে ছোট ছোট নৌকা, ডোঙা কিংবা মাছ ধরার নৌযান নিয়েও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে খাল সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে থেকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে প্রায় দেড় শতাধিক ঘেরের বাঁধের ওপর চাষ করা বিভিন্ন ধরনের ফসল পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কৃষক ধারদেনা করে চাষাবাদ করেছিলেন, কিন্তু পানি জমে থাকায় সেই ফসল ঘরে তুলতে পারেননি। এতে তাদের পরিবারে নেমে এসেছে আর্থিক সংকট।কয়েকজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর আমরা এই সমস্যার মধ্যে আছি। খাল ভরাট হয়ে গেছে, পানি বের হওয়ার পথ নেই। একটু বৃষ্টি হলেই চারদিক পানিতে ডুবে যায়। ঘেরের মাছ ও ফসল দুইটাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।তারা আরও বলেন, স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে বিষয়টি সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী-এর নজরে আনা হলে তিনি দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শনে আসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক তবিবুর রহমান, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার, ৮নং সুফলাকাটি ইউনিয়ন সভাপতি আবুল কাশেম, সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল ইসলাম, উলামা বিভাগের সভাপতি হাফেজ হেলাল উদ্দিন, যুব সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান, নব মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এস. এম. মুনজুর রহমানসহ স্থানীয় দায়িত্বশীল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, এলাকার মানুষের কষ্ট আমি কাছ থেকে দেখেছি। পানি নিষ্কাশনের সমস্যা দীর্ঘদিনের। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হবে। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। আপাতত এলাকাবাসীর চলাচল ও দুর্ভোগ কিছুটা কমাতে খালের প্রবেশমুখের কচুরিপানা অপসারণে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কচুরিপানা পরিষ্কার হলে অন্তত নৌকা চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং পানি প্রবাহ কিছুটা বাড়বে। কৃষক ও ঘের মালিকদের কষ্ট কমাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT