খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

খুলনায় এক রাতে দুই হামলা -গুলি আর চাপাতির তাণ্ডব, নগরীতে আতঙ্ক

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :

একই রাতে, একই শহর, দুই প্রান্তে রক্ত। গুলির শব্দ আর চাপাতির আঘাতে কেঁপে উঠল খুলনা মহানগরী। ২৮ জুন রবিবার রাত সাড়ে ৮টার পর সোনাডাঙ্গা আর হরিজন এলাকায় পৃথক দুই হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের ঘুম উড়ে গেছে।সোনাডাঙ্গা থানাধীন আইডিয়াল স্কুলের পাশে ঘটনাটি ঘটে। দুর্বৃত্তরা গুলি করে মানিক ৩২ নামে এক যুবককে। মুহূর্তের মধ্যে লুটিয়ে পড়ে সে। স্থানীয়রা ছুটে এসে রক্তাক্ত মানিককে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল খুমেক-এ নিয়ে যান। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন। অবস্থা কেমন, তা এখনও নিশ্চিত করে বলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গুলিবিদ্ধ যুবককে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।একই রাতে নগরীর হরিজন এলাকায় ঘটে আরেক নৃশংসতা। এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।তাৎক্ষণিকভাবে হামলার শিকার যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকেও খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সেও।পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পূর্ব শত্রুতা, আধিপত্য, নাকি অন্য কিছু—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এক রাতে গুলি + চাপাতি—দুই সহিংস ঘটনায় খুলনার মানুষ আতঙ্কিত। সোনাডাঙ্গার মতো ব্যস্ত এলাকায় গুলি, হরিজন এলাকায় কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মনে।এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, “রাত ৮টা বাজতেই গুলি। দিনে-রাতে পার্থক্য থাকল না। ছেলে-মেয়ে নিয়ে রাস্তায় বের হতে ভয় লাগে এখন।ওসি রফিকুল ইসলাম আশ্বাস দিয়েছেন, “জড়িতদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। দুই ঘটনার মোটিভ বের করে দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।খুলনা শান্তির শহর ছিল একসময়। আজ এক রাতেই দুই যুবকের রক্তে ভিজল নগরীর মাটি। গুলি আর চাপাতি হাতে নিয়ে যারা ঘুরে বেড়ায়, তাদের কাছে মানুষের জীবন কি এতই সস্তা?প্রশাসনের কাছে দাবি—অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। নাহলে আগামী রাতে আরেক মানিকের রক্ত ঝরবে। খুলনার মানুষ শান্তিতে বাঁচতে চায়, আতঙ্কে না।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT