
মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম // উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হলো রূপসা উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেডের নির্বাচন। ২০ মে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ শেষে চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন হাসিবুর রহমান বাবুর লস্কর।নির্বাচনে মোট ৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ৯৪ জনই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, বাবুর লস্কর পেয়েছেন ৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহজাহান ফকির পেয়েছেন ২৭ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পরপরই সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।সহ-সভাপতি পদে মো. তাইজুল ইসলাম এবং সদস্য পদে বাসুদেব কর্মকার, শ্যামল কুমার পাল ও ধীমান চন্দ্র মালাকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হিসেবে জয় পেয়েছেন ধীমান কুমার দাস।নির্বাচন পরিচালনা করেন তেরখাদা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মনজুরুল কবীর। তার সঙ্গে নির্বাচন কমিটিতে ছিলেন জেলা সমবায় কার্যালয়ের প্রশিক্ষক রাধাকান্ত ঘোষ এবং রূপসা ইউসিসিএ লিমিটেডের হিসাব সহকারী রবিউল ইসলাম।বিকাল ৪টায় বিআরডিবি কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা সৈয়দ জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয়েছে। নির্বাচনে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা উল বারী লাভলু, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, ভারপ্রাপ্ত পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাবুর রহমান এবং দৈনিক সময়ের খবরের মফস্বল সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু।এছাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা যুবদলের সদস্য তরিকুল ইসলাম রিপন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মিন্টু, যুবদল নেতা মুন্না সরদার ও খায়রুল আলম খোকনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমবায় সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বাবুর লস্কর বলেন, সমবায় সদস্যদের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে তিনি কাজ করবেন। সমিতির স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সদস্যদের কল্যাণই তার মূল লক্ষ্য।স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় সমবায় সমিতির প্রতি আস্থা আরও বেড়েছে।নির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রে ছিল উৎসবের আমেজ। বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। বিকালে ফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় জমান সমর্থকরা।
