খুলনা, বাংলাদেশ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপি কর্মীদের ওপর জামায়াত ও শিবির কর্মীদের হামলার

[ccfic]

খুলনার সময়ের খবর ডেস্ক :

কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে বিএনপি কর্মীদের ওপর জামায়াত ও শিবির কর্মীদের হামলার

অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির দাবি, এ ঘটনায় তাদের ১০ থেকে ১২ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জনকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সংঘর্ষে তাদেরও দুইজন কর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খোকসা উপজেলার মাসালিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার কুষ্টিয়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের

কর্মী-সমর্থকরা খোকসা উপজেলার জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়নের মাসালিয়া বাজারে ভোটের প্রচারণায় যান। এ সময় এক বৃদ্ধ ভোটার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার কথা বললে বিষয়টি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে বুধবার সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে সালিশ বৈঠক বসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৈঠক চলাকালে একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এর জের ধরে জামায়াত ও শিবির

কর্মী-সমর্থকরা বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। হামলায় জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে খাইরুল হাসান (৪০), উত্তর শ্যামপুর গ্রামের চাঁদ উদ্দিনের ছেলে নিজাম উদ্দিন (৪৫) এবং একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে তুহিন হোসেন (৩২) আহত হন। তাদের খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলায় চাইনিজ কুড়াল ও চাইনিজ স্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেন বলেন, “সালিশ বৈঠকে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের দলেরও দুইজন কর্মী আহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের দলের অন্তত ১২ জন কর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জন হাসপাতালে ভর্তি। সালিশ বৈঠকে আমাদের অল্প কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। অথচ জামায়াতে ইসলামী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ২৫ থেকে ৩০ জন লোক নিয়ে আসে। বৈঠক চলাকালেই তারা অতর্কিত হামলা চালায়। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো হামলা করা হয়নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোতালেব হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করবে না বলে জানিয়েছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT