খুলনা, বাংলাদেশ | ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  চট্টগ্রাম থেকে সোনাডাঙ্গা থানার চাঞ্চল্যকর জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জসিম গ্রেফতার
  ডুমুরিয়ায় চায়ের দোকানে ঢুকে যুবককে গুলি করে হত্যানিহত তরিকুল রংপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির ছেলে; ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ ও জেলা ডিবির তদন্ত চলছে!!
  ধামইরহাটে ঘাতক ট্রাকের ড্রাইভার কেড়ে নিলো এক তরুনের প্রাণ
  প্রথম আলোর সেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত ইমতিয়াজ, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
  বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাযা ও দাফনে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত
  ঈদগাঁওতে সরকারী কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত 
  খুলনা স্টেডিয়াম ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-২৭’ সিজন-২-এর শুভ উদ্বোধন করেন :প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  রাজনৈতিক ক্ষতি হলেও ইরানে হামলা জরুরি ছিল: ট্রাম্প
  মোংলা বন্দরে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
  

গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার ১৪ পিস ইয়াবা

[ccfic]

ডুমুরিয়া

ডুমুরিয়ার চেচুড়ি গ্রামে যেন মাদকের অন্ধকার ছায়া! গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তিন কথিত মাদক কারবারিকে আটক করেছে ডুমুরিয়া থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তিনজনকে আটকের পরও থামছে না প্রশ্ন—মাদকের এই কারবারের নেপথ্যে থাকা মূল হোতারা কোথায়?পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে এসআই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চেচুড়ি গ্রামের মিন্টু গাজীর বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানকালে মিন্টু গাজী, রিয়া সাত আকুঞ্জি ও সৈকত হোসেন সোহানকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ১৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আটক তিনজনের বাড়িই উপজেলার চেচুড়ি গ্রামে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ডুমুরিয়া থানায় মামলা হয়েছে। মামলার বাদী এসআই দেলোয়ার হোসেন।খুচরা কারবারি আটক, ‘গডফাদার’ অধরা!তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চেচুড়ি এলাকায় মাদকের কারবার নতুন কোনো ঘটনা নয়। তাদের ভাষ্য, মাদকের সঙ্গে জড়িত দু-একজনকে আটক করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। এর পেছনে থাকা সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা ও কথিত মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।একটি স্থানীয় সূত্রের দাবি, মনিরামপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কথিত ‘কাটিং’ বা মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে মাদক এনে চেচুড়ি এলাকায় সরবরাহ করা হয়। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।‘মূল শিকড়ে আঘাত করুন’এলাকাবাসীর প্রশ্ন, যারা ইয়াবা সরবরাহের নেপথ্যে থেকে পুরো চক্র পরিচালনা করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কোথায়? তাদের দাবি, শুধু মাদক বহনকারী কিংবা খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে অভিযান সীমাবদ্ধ রাখলে মাদকের মূল ব্যবসা বন্ধ হবে না।স্থানীয়রা বলছেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানকে আরও গভীরে নিতে হবে। কার কাছ থেকে মাদক আসে, কারা সরবরাহ করে, কারা অর্থের জোগান দেয় এবং কারা পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে—তদন্তের মাধ্যমে এসব প্রশ্নের উত্তর বের করা জরুরি।চেচুড়িতে তিনজন আটকের ঘটনায় পুলিশের অভিযানকে স্বাগত জানালেও এলাকাবাসী এখন দেখতে চান—১৪ পিস ইয়াবার পর্দার আড়ালে থাকা বড় চক্রের নাগাল পুলিশ কতটা নিতে পারে।মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ বাস্তবায়ন করতে হলে সামনের সারির কারবারিদের পাশাপাশি কথিত গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি এখন চেচুড়িবাসীর।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT