
ডেস্ক :
খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও খুলনা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রি-একনেকে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই শুরু হবে খুলনার ক্রীড়াঙ্গণের বহুল প্রতীক্ষিত এই উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ।বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি প্রতিনিধি দল। এদিন দুপুরে স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুল্লাহ হারুন, বিসিবি পরিচালক ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, বিসিবি পরিচালক ও দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার সম্পাদক শান্তনু ইসলাম এবং বিসিবি কাউন্সিলর চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন। পরিদর্শন শেষে তাঁরা উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।এ সময় বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, খুলনার ক্রীড়াঙ্গণকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে, যা এখন প্রি-একনেকে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। বরাদ্দ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই আমরা পুরোদমে উন্নয়ন কাজ শুরু করতে পারব।বিসিবি পরিচালক শান্তনু ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই খুলনার এই স্টেডিয়ামটির সংস্কার প্রয়োজন ছিল। এটি খুলনার ক্রীড়ামোদী মানুষের একটি প্রাণের দাবি। এই ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে খুলনার ক্রীড়াঙ্গণে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলে এখানে আবারও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলা আয়োজন করা সম্ভব হবে, যা স্থানীয় খেলোয়াড়দের দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করবে। স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে বিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য মোল্লা খায়রুল ইসলাম, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক একরামুল কবির মিল্টন, খুলনা জেলা ক্রিকেট দলের কোচ শামসুজ্জামান সবুজ, হেমায়েত উদ্দীন, ওয়াহেদুর রহমান বাবু, আজিজুর রহমান জুয়েল এবং সফিউল আলম সবুজসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বড় কোনো সংস্কার না হওয়ায় খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের জৌলুস অনেকটাই ম্লান হতে বসেছিল। সরকারের নতুন এই উদ্যোগের ফলে খুলনার ক্রীড়াঙ্গণ তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
