
এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
ঈদগাঁওতে চলতি মৌসুমে জাতীয় ফল কাঁঠালে ভাল ফলন হয়। ফলে আনন্দের হাসি স্থানীয়দের মাঝে। পুরো ইউনিয়নের গ্রামীন জনপদে বাড়ির আঙিনা,রাস্তার পাশে এবং পতিত জমিতে থাকা গাছগুলোতে ঝুলছে ছোট-বড় কাঁঠাল। অনুকূল আবহাওয়া আর সঠিক পরিচর্যার কারণে এবার ফলন যেমন ভাল হয়,তেমনি ভাল দাম পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি।ঈদগাঁওয়ের কয়জন কাঁঠাল চাষী জানান, গত কয়েক বছরে তুলনায় এবার গাছে প্রচুর কাঁঠাল এসেছে। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় ফলের আকার,গুণগত মান বেশ ভাল। বাজারে এখন পাকা কাঁঠাল উঠতে শুরু করেছে। ক্রেতা দের চাহিদাও প্রচুর। এবার কাঁঠাল বিক্রি করে ভাল লাভের আশা করছি। জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ়ের এই সময়ে ঈদগাঁওয়ের হাট-বাজারে এখন পাকা কাঁঠালের মুহুমুহ গন্ধে চার পাশ মুখরিত হয়ে উঠে। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই জাতীয় ফল শুধু গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করছেনা, বরং সাধারণ মানুষের পুষ্টির চাহিদাও দারুণভাবে পূরণ করছে। বাজারে স্থানীয়দের পাশাপাশি ঈদগড়-বাইশারী এলাকার কাঁঠালও বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। একেকটির একেক দামে বিক্রি করা হচ্ছে। দেখা যায়, ঈদগাঁওয়ের পাহাড়ী এলাকা মেহের ঘোনা,কালিরছড়া,চান্দেরঘোনা,ভোমরিয়াঘোনা, কলেজ গেইট,ভাদীতলাসহ বিভিন্ন এলাকাজুড়ে গাছে গাছে সুস্বাদু কাঁঠাল ঝুলতে দেখা যায়। বাড়ীঘরে শখের বসে লাগানো কাঁঠাল গাছে এই বছর ভাল ফলনের দৃশ্য চোখে পড়ে। ঈদগাঁও ইউনিয়ন সমুহে পাড়া মহল্লায় বাড়ীঘরে কাঁঠাল গাছ লাগানোর বিষয়ে যদি কৃষি অফিস কতৃক স্থানীয়দের নানাভাবে সহায়তাসহ পরামর্শ প্রদান পূর্বক কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে অব গত করা হতো, তাহলে স্থানীয়রা অন্যন্য গাছের সাথে উন্নত জাতের কাঁঠাল চাষে উৎসাহিত হত, যাতে তারা আরও বেশি লাভবান হতে পারতো।ঈদগাঁও ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ নোমানের সাথে কথা হলে জানান, পারিবারিকভাবে পুষ্টির চাহিদা বৃদ্ধির লক্ষে বাড়ীঘরে ফলজ,বনজ ও ঔষুধি গাছের চারা বিতরন করা হয়ে থাকে প্রতি বর্ষা মৌসুমে। তবে বানিজ্যিকভাবে কাঁঠাল চাষাবাদ তেমন হয়না।
