খুলনা, বাংলাদেশ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

বেহাল সড়কে চরম ভোগান্তিতে ৫০ হাজার মানুষ

[ccfic]

ডেস্ক :

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সড়ক যেন জন-ভোগান্তির প্রতিচ্ছবি। ব্রিজের সংযোগ সড়কের দুই অংশে ভেঙে বিশাল গর্তে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে পাত্রখাতা মিনাবাজার সড়কের আকালুরঘাট এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত চলাচল করছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। স্থানীয়রা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি তুলেছেন। এদিকে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর৷জানা গেছে, উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজারের সঙ্গে জোড়গাছ ও উপজেলা হেড কোয়ার্টারের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য তিস্তার খালের উপর নতুন একটি ব্রীজ নির্মাণ করে এলজিইডি। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিভাগের তত্ত্বাবধানে যৌথভাবে কাজটি করে মের্সাস লুফা-জেডএইচডি (জেভি) দুটি প্রতিষ্ঠান। ৬৪ মিটার ব্রিজের সঙ্গে ধরা হয় এপ্রোচ (সংযোগ সড়ক) এইচবিবি।স্থানীয়রা বলেন, এই স্থানে গাইড ওয়াল এবং পানি নামার জন্য ড্রেন করা হলে সড়কে ধস দেখা দিত না। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো না। ত্রিমুখী এই সড়কের দুটি স্থানে ধসের কারণে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষজন চালচল করলেও যান চালাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।স্থানীয় আশরাফুল ও রবিউলসহ অনেকে বলেন, এই সড়ক দিয়ে পাত্রখাতা, মিনাবাজার, মন্ডলেরহাট, কাশিমবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ উপজেলা সদরসহ জোড়গাছ ও থানাহাট বাজারে চলাচল করে।তারা জানান, সড়ক ধসে যাওয়ায় গর্ত সৃষ্টি হয়ে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে।অটোচালক রহিম জানান, জীবিকার তাগিদে এই সড়কে আমাদের অটো চালাতে হয়। ভাঙনের স্থানে এলে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে অটো তুলতে হয়। দীর্ঘদিন থেকে এভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অটো চালাচ্ছি।চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, দ্রুত এর সমাধান করা হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT