খুলনা, বাংলাদেশ | ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, পিঠ চাপড়ে দিলেন মোদি
  বীরগঞ্জে প্রতারক চক্রের অপতৎপরতায় জনমনে বিভ্রান্তি
  খুলনার কৃষকদের দুর্ভোগ, বৃষ্টিতে ডুবেছে বোরো ক্ষেতশ্রমিক সংকটে বাড়ছে ক্ষতির শঙ্কা
  কারাগার চলবে নিজস্ব বিদ্যুতে, উৎপাদিত অতিরিক্ত অংশ যাবে জাতীয় গ্রিডে
  শব্দের চেয়ে ২৫ গুণ বেশি গতির ক্ষেপণাস্ত্র সামনে আনল তুরস্ক
  বেহাল সড়কে চরম ভোগান্তিতে ৫০ হাজার মানুষ
  সেঞ্চুরিতে নাজমুলের রাজত্ব
  খুলনায় চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের নতুন তালিকা, অভিযান নিয়ে সংশয়ে নগরবাসী
  একই পরিবারের ৫ জনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
  ফখরুল-তামিম-ফাতেমাসহ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন ‘খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক’

বেহাল সড়কে চরম ভোগান্তিতে ৫০ হাজার মানুষ

[ccfic]

ডেস্ক :

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সড়ক যেন জন-ভোগান্তির প্রতিচ্ছবি। ব্রিজের সংযোগ সড়কের দুই অংশে ভেঙে বিশাল গর্তে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে পাত্রখাতা মিনাবাজার সড়কের আকালুরঘাট এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত চলাচল করছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। স্থানীয়রা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি তুলেছেন। এদিকে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর৷জানা গেছে, উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজারের সঙ্গে জোড়গাছ ও উপজেলা হেড কোয়ার্টারের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য তিস্তার খালের উপর নতুন একটি ব্রীজ নির্মাণ করে এলজিইডি। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিভাগের তত্ত্বাবধানে যৌথভাবে কাজটি করে মের্সাস লুফা-জেডএইচডি (জেভি) দুটি প্রতিষ্ঠান। ৬৪ মিটার ব্রিজের সঙ্গে ধরা হয় এপ্রোচ (সংযোগ সড়ক) এইচবিবি।স্থানীয়রা বলেন, এই স্থানে গাইড ওয়াল এবং পানি নামার জন্য ড্রেন করা হলে সড়কে ধস দেখা দিত না। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো না। ত্রিমুখী এই সড়কের দুটি স্থানে ধসের কারণে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষজন চালচল করলেও যান চালাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।স্থানীয় আশরাফুল ও রবিউলসহ অনেকে বলেন, এই সড়ক দিয়ে পাত্রখাতা, মিনাবাজার, মন্ডলেরহাট, কাশিমবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ উপজেলা সদরসহ জোড়গাছ ও থানাহাট বাজারে চলাচল করে।তারা জানান, সড়ক ধসে যাওয়ায় গর্ত সৃষ্টি হয়ে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে।অটোচালক রহিম জানান, জীবিকার তাগিদে এই সড়কে আমাদের অটো চালাতে হয়। ভাঙনের স্থানে এলে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে অটো তুলতে হয়। দীর্ঘদিন থেকে এভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অটো চালাচ্ছি।চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, দ্রুত এর সমাধান করা হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT