খুলনা, বাংলাদেশ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ

খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে গোপনে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ

[ccfic]

খুলনার সময়ের খবর ডেস্ক:

খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে গোপনে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর জোড়াগেট এলাকার এইচআরসি ভবনের পাশের একটি গলি থেকে এ অবৈধ অস্ত্র কারখানার হদিস মেলে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর নগরবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই কারখানা থেকে অস্ত্র তৈরির সাঁচ, সীসা, ট্রিগার, ট্রিগার গার্ডসহ অন্তত ৩০ থেকে ৩৫টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্জাম দিয়ে সহজেই দেশীয় অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শহরের একেবারে মধ্যবর্তী স্থানে দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি অবৈধ অস্ত্র কারখানা পরিচালিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, এসব অস্ত্র অপরাধী চক্রের হাতে গেলে বড় ধরনের সহিংস ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারত।

এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন— দোহা আয়রন ফাউন্ডার কারখানার মালিক নজরুল, তার কর্মচারী শহিদুল এবং আকবর আলী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শহরের ভেতরে অবৈধভাবে অস্ত্র তৈরির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর। উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম কোথায় সরবরাহ করা হতো এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনার পর নগরবাসীর মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে— শহরের ভেতরে আর কোথায় এমন গোপন কারখানা রয়েছে কি না, এবং এই অস্ত্রগুলো কারা ব্যবহার করত।

পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর নিরাপত্তা জোরদারে অভিযান আরও বাড়ানো হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT