খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  একসঙ্গে খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে প্রত্যাহার
  রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
  বিকল্প অর্থায়নে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ বাংলাদেশ
  খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আশিক গ্রুপের দুই অস্ত্রধারী গ্রেফতার
  তুরাগ নদে ভাসছিল বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ
  তুরাগ নদে ভাসছিল বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ
  খুলনায় নারীকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা
  শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানালেন দাকোপের শিক্ষক ও সংস্কৃতি কর্মী দেবব্রত সরদার
  খুলনায় যুবককে গুলি করে মোবাইল ফোন ছিনতাই
  নগরীতে ট্রেনের ধাক্কায় দুইজনের মৃত্যু

একসঙ্গে খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে প্রত্যাহার

[ccfic]

নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা। খুলনা রেঞ্জের বিভিন্ন থানা ও ইউনিটে কর্মরত ২৮ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের বাবুর্চি থেকে শুরু করে এসআই পদ মর্যাদার সদস্যও রয়েছেন। শুদ্ধি অভিযান পুলিশের ভেতরে আগে শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম এবং অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খুলনার ৯, বাগেরহাটের ৯, যশোরের ২, ঝিনাইদহের ৩, কুষ্টিয়ার ৪ ও চুয়াডাঙ্গার একজন রয়েছেন। থানা ছাড়াও ট্রাফিক ও গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা এ তালিকায় রয়েছেন।খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ কারণে প্রথমে বাহিনীর ভেতরে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের প্রবণতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং পুলিশের প্রতি জনআস্থা তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে।তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অনৈতিক সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আইজিপিরও নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে দায়িত্ব পালনের সময় কোনও সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা নিলে তার প্রভাব পড়ে পুরো বাহিনীর ওপর। বিশেষ করে মামলা গ্রহণ, তদন্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কিংবা অভিযান পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে অর্থ বা অন্যকোনও সুবিধার বিনিময়ে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠলে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে অপরাধীরা সুযোগ পায়, পাশাপাশি সাধারণ মানুষও পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে।সূত্রটি জানায়, পুলিশ সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর অন্যতম উদ্দেশ্য তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করা। কিন্তু এসব সুবিধা বাড়ানোর পরও কোনও সদস্য অনৈতিক উপায়ে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তা ব্যক্তিগত অসততার পাশাপাশি বাহিনীর শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির দুর্বলতাকেও সামনে নিয়ে আসে।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পুলিশের প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ উঠলে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে এর সত্যতা নির্ধারণ করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ সদস্যদের কাজের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT