
পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুরে আলম সাধু ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক ইয়াছিন আারাফাত নিহত হয়েছে। শহরের হাসপাতাল রোডে খাদ্য গুদামের সামনে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইয়াসিন আরাফাত (২৫) ইসলামিক ফাউন্ডেশন কেশবপুর উপজেলার সাধারণ কেয়ারটেকার কাস্তা গ্রামের মোঃ রুস্তম আলী খানের বড় ছেলে এবং কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলো। প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা দিতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলো মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ আরাফাত হোসেন। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে আর পৌঁছানো হলো না তার। মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অকালে ঝরে গেল সম্ভাবনাময় এই তরুণের প্রাণ, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট২৬) সকালে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলযোগে কেশবপুরে আসছিলো আরাফাত। সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে কেশবপুর খাদ্য গুদামের সামনে পৌঁছালে একটি আলমসাধুর সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়ার পথে ডুমুরিয়া এলাকায় তার মৃত্যু হয়।আরাফাতের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজন ও সহপাঠীদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের মাতম। যে তরুণটি নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছিল, একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই থামিয়ে দিল তার জীবনের সব স্বপ্ন ও সম্ভাবনা।পরিবারের সদস্যরা জানান, আরাফাত ছিলো অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও সম্ভাবনাময় একজন তরুণ। তার এমন অকাল মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা। আরাফাতের মৃত্যুতে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সহপাঠী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
