
স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা: আসন্ন ১১ নম্বর ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকত ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া, আশীর্বাদ ও আন্তরিক সমর্থন কামনা করেছেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা, আস্থা ও বিশ্বাসকে ধারণ করে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।মোল্লা আবরার হোসেন সৈকত শহীদ মোল্লা সিরাজুল ইসলামের কনিষ্ঠ পুত্র। রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে তিনি একজন তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং জনসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তাঁর একটি ইতিবাচক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি।তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কৃষি, যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।মোল্লা আবরার হোসেন সৈকত আরও বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয়, কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন বৈষম্যহীনভাবে সরকারি ও স্থানীয় সেবা পায়, সেটিই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার। জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিষদ গঠন করতে চাই।”স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের ভাষ্য, মোল্লা আবরার হোসেন সৈকত একজন ভদ্র, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং জনসম্পৃক্ত তরুণ প্রার্থী। তাঁর আচরণ, মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি ইতোমধ্যে অনেকের নজর কেড়েছেন। তাঁদের আশা, নির্বাচিত হলে তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকত বলেন, “আমি দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতিনিধি হতে চাই। ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের মতামতকে সম্মান জানিয়ে একটি উন্নত, আধুনিক ও সেবামুখী ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। এজন্য আমি সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও মূল্যবান সমর্থন কামনা করছি।”
